সরকারিভাবে এখনও পুরভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি।  কিন্তু কলকাতায় অমিত শাহের সিএএ সংবর্ধনা সভা শুরু হতেই ভোটের ঢাকে একপ্রকার কাঠি পড়ল। শাসক দলের বিরুদ্ধে একজোট হতে এদিন শহিদ মিনারের মঞ্চ থেকেই 'আর নয় অন্যায়' প্রচার শুরু করলেন অমিত শাহ।   

ঘরে ঢুকে মারতে পারে , ভারত এখন আমেরিকা-ইজরায়েলের সমান

লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য়ে ১৮টি আসন পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়়া টক্কর দিয়েছিল বিজেপি। পরবর্তীকালে রাজ্য়ের বিধানসভা উপনির্বাচনে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেনি  দিলীপ ঘোষের দল। ফলে অমিত শাহের ভোকাল টনিক নেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল রাজ্য় বিজেপি। নিরাস করেননি অমিত শাহ। শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলা থেকে এবার একেবারে আাগামী নির্বাচনের প্রচার শুরু করে দিলেন এই সর্বভারতীয় বিজেপি নেতা।  সামনে পুরসভা ও তারপর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বাংলাই এখন নিশানা অমিত  শাহের।

কলকাতার বুকেও 'গোলি মারো', বিতর্কিত স্লোগানে কাঁপল ধর্মতলা

এদিন শহিদ মিনারের মঞ্চ থেকে আর নয় অন্য়ায় প্রচারে একটি  নির্দিষ্ট ফোন নম্বরে মিসড কল দিতে বলেন শাহ। আগত কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কতজনের কাছে মোবাইল আছে? আপনারা মোবাইল বের করে দেখান। এরপরই 9727294294 ওই ফোন নম্বরে মিসড কল দিতে বলেন তিনি। এই মোবাইল নম্বর বলেই থেমে থাকেননি বিজেপির সেকেন্ড ইন কমান্ড।  অমিত শাহ বলেন, ‘শুধু আপনারাই নয়, আপনাদের বাবা-মা, স্ত্রী, পুত্র, ভাই-বোন সবাইকে বলুন মিসড কল দিতে। দিদিকে বলো-তে ফোন করে বলুন 'আর নয় অন্যায়'।

'কোন স্বার্থে নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করছেন?' মমতাকে প্রশ্ন অমিত শাহের

তবে এদিনও সিএএ নিয়ে সরব হন অমিত শাহ। তিনি জানান, সিএএ কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। এটা শরনার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। বাংলার সংখ্যালঘুদের সিএএ-র কারণে নাগরিকত্ব যাবে না। এ প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে একহাত নেন এই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, দেশের বানানো আইনের বিরোধিতা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যা সংবিধান বিরোধী। এটা মেনে নেওয়া যায় না। কোনও চেষ্টা করে  বাংলায় বিজেপিকে রোখা যাবে না।