তাহলে কি বরফ গলছে? একই পোস্টারে মমতা ও শুভেন্দুর ছবি শহিদ দিবসের আগে জল্পনা তু্ঙ্গে নন্দীগ্রামে কৌতুহল বাড়ছে রাজনৈতিক মহলেও

সঞ্জীবকুমার দুবে, পূর্ব মেদিনীপুর:  তাহলে কি এবার দলত্যাগের জল্পনায় ইতি পড়তে চলেছে? নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর জনসভার সমর্থনে লাগানো ব্য়ানারে দেখা গেল তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। কৌতুহল বাড়ছে রাজনৈতিক মহলে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: অমিত শাহের দৌলতেই কি ফিরল সুদিন , বিভীষণ হাঁসদার পাশে দাঁড়াল তৃণমূল ও বিজেপি

নন্দীগ্রামের বিধায়ক, রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আবার সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্বও তাঁর কাঁধে। কিন্তু ঘটনা হল, কাঁথির অধিকারী বাড়ির ছোট ছেলেকে নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলের জল্পনা তুঙ্গে। প্রশ্ন একটাই, বিধানসভা ভোটের মুখে তিনি কি বিজেপিতে নাম লেখাতে চলেছে? কারণ, লকডাউনের আগে থেকে তৃণমূলের কোনও কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না শুভেন্দুকে। এমনকী, দলের ব্য়ানার ছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিজের পরিচয় দিচ্ছেন 'সমাজসেবী' হিসেবে! দিন কয়েক আগে নন্দীগ্রামে এক জনসভায় শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য বলেছিলেন, 'বাজারি মিডিয়া' অনেক কথা বলছে। যতক্ষণ না তিনি কিছু বলছেন, ততক্ষণ যেন দলের কর্মীরা ও সাধারণ মানুষ যেন কোনও কথা বিশ্বাস না করেন। এরপর সরকারি অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা যায় হলদিয়ার সুতাহাটায়।

আরও পড়ুন: করোনা আবহে জঙ্গলমহলের বাঁধনা পরব, আদিবাসীদের বাড়ির দেওয়ালে তুলির টান

শেষপর্যন্ত কি তৃণমূলের সঙ্গে মান-অভিমানের পালা মিটেই গেল? ৩১ অক্টোবর থেকে নন্দীগ্রামে এক অরাজনৈতিক বিজয়া সম্মিলিনীতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সম্মিলনী থেকে নন্দীগ্রামে 'রক্তাক্ত সুর্যোদয়'-এর বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ১০ নভেম্বর মহাসমাবেশের ডাক দেয় স্থানীয় গোকুলনগর এলাকায়। সেই সমাবেশের প্রচারে ব্য়ানার লাগানো হয়েছে এলাকায়। তৃণমূলের নাম বা প্রতীক না থাকলেও ব্যানারে কিন্তু জ্বলজ্বল করছে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।