হুগলির গুপ্তিপাড়ার ঐতিহ্যবাহী উল্টোরথ যাত্রায় সামিল হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী গুপ্তিপাড়ার রথযাত্রায় এলেন। এটিকে 'গর্বের বিষয়' বলে উল্লেখ করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার।
শুক্রবার রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গুপ্তিপাড়ার উল্টোরথ যাত্রায় আসাটা একটা গর্বের বিষয়। তাঁর কথায়, বাংলার ইতিহাসে এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এলেন।
সুমনা সরকার বলেন, "এমন উৎসব গোটা ভারতে আর কোথাও হয় না। শুধুমাত্র হুগলি জেলার বলাগড় বিধানসভা কেন্দ্রের গুপ্তিপাড়াতেই এর চল আছে। আর বাংলার ইতিহাসে এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী গুপ্তিপাড়ার এই ঐতিহ্য দেখতে আসছেন। এটা আমাদের জন্য খুবই গর্বের যে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং অর্থমন্ত্রী ডঃ স্বপন দাশগুপ্ত এই বিশাল অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন।"
মন্ত্রীর কথায়, রাজ্যের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে গুপ্তিপাড়ার এই উৎসবের একটা আলাদা জায়গা আছে। বৃহস্পতিবার উল্টোরথের আগে গুপ্তিপাড়ায় পালিত হয় ২৮৬ বছরের পুরনো 'ভান্ডার লুট' প্রথা। এই অনুষ্ঠানে মন্দিরের ভান্ডার থেকে প্রসাদের হাঁড়ি নেওয়ার জন্য ভক্তদের ঢল নামে।
এদিকে, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ তাদের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে জানিয়েছে, "উল্টোরথ যাত্রার এই শুভলগ্নে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। প্রভু জগন্নাথের আশীর্বাদে প্রতিটি ঘরে শান্তি ও সুস্বাস্থ্য বজায় থাকুক। জয় জগন্নাথ!"
এর আগে একটি বৈঠকে মহেশ, বলাগড়ের গুপ্তিপাড়া এবং চন্দননগর রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উৎসবটি যাতে সুষ্ঠু, নিরাপদ এবং ভালোভাবে পরিচালনা করা যায় এবং শোভাযাত্রার রাস্তায় নিরাপত্তা বজায় থাকে, তার জন্যই এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।
জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকদের উৎসবের সময় নিরাপত্তা ও প্রস্তুতির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিতে বলেছেন।


