সবজি বাজারে কনস্টেবলের দাদাগিরি'র জের বিক্ষোভ দেখালেন সবজি বিক্রেতারা অভিযোগ  সবজি বিক্রেতাদের ওপরে জুলুমের শেষমেশ ক্লোজ করা হল পুলিশকর্মীকে    

গরিব কৃষক ও সবজি বিক্রেতাদের সঙ্গে নমনীয়তার সাথে ব্যবহার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের।লকডাউন পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহ করছেন তারা। কিন্তু খড়গপুর শহরের সবজি বাজারে কনস্টেবলের দাদাগিরি'র জেরে বিক্ষোভ দেখালেন সবজি বিক্রেতারা। অভিযোগ বিভিন্ন অজুহাতে সবজি বিক্রেতা দের ওপরে জুলুমবাজি চালায় পুলিশ কনস্টেবলরা। রবিবার দূরত্ব বজায় রাখা হয়নি এমন অভিযোগ করে সবজি বিক্রেতাদের সবজি ছড়িয়ে লন্ডভন্ড করে দিয়েছিল এক কনস্টেবল। রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে বাজারের বিক্রেতারা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রবিবারে ঘটনাটি ঘটেছে খড়গপুর শহরের খরিদা লেভেল ক্রসিং সংলগ্ন সবজি বাজারে।সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাজারের কেনাবেচা স্বাভাবিক রাখতে খরিদা-র ঘিঞ্জি এলাকায় বাজারকে সরিয়ে ফাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে। সকলকেই দূরত্ব বজায় রেখে ব্যবসা করতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ- সেই নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে চাইলেও সামান্য অজুহাত তুলে জুলুমবাজি চালায় পুলিশের একদল কনস্টেবল।ব্যবসায়ীদের দাঁড়িপাল্লা থেকে বিক্রির সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে খরিদা পুলিশ ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে যায় তারা। রবিবারও তাই ঘটেছে। 

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ফাঁড়ির শেখর নায়েক নামে এক কনস্টেবল রবিবার হঠাৎ বাজার চলাকালীন ঠিকঠাক দূরত্ব মেনে ব্যবসা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে বকাবকি শুরু করেন। সবজি বিক্রেতারা পাল্টা দাবি করেন তারা নিয়ম মেনেই বসেছেন। তা থেকে কথা কাটাকাটি হতেই কনস্টেবল শেখর নায়েক পরপর লাথি মেরে একের পর এক সবজির ঝুড়ি উল্টে দেয় রাস্তায়। সবজি বিক্রেতা দের সমস্ত পণ্য সামগ্রী চারদিকে ছড়িয়ে দেয়। এতে বাজারে উত্তেজনা তৈরি হলে সেখান থেকে পালিয়ে যায় ওই কনস্টেবল। এরপরই সবজি বিক্রেতারা খরিদা লেভেল ক্রসিংয়ের কাছে মালঞ্চ রোড এলাকায় অবরোধ শুরু করে দেন।

খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসেন খড়গপুর টাউন থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তা রাজা মুখার্জী সহ স্থানীয় কাউন্সিলর দেবাশীষ চৌধুরী। হাজির হন খড়্গপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুকোমল কান্তি দাস। সবজি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়ে বিক্ষোভ বন্ধ করেন। অভিযোগ পেয়ে সন্ধ্যাতেই ওই কনস্টেবল কে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করার নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার।