'সোভিয়েত দেশে টিনটিন' কমিকসে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট শাসনের স্বরূপ তুলে ধরতে টিনটিনের স্রষ্টা হার্জে দেখিয়েছিলেন কমিউনিস্ট শাসকরা সাধারণ মানুষের মাথায় বন্দুক ধরে ভোট চাইছে। কূটনৈতিক লড়াইয়ের মাঠে ভারতের কাছে দশ গোল খেয়ে পাকিস্তানও অনেকটা সেই পথই নিল। কাশ্মীর বিষয়ে বিশ্বের সমর্থন ভারতের দিক থেকে পাকিস্তানের পক্ষে টানতে একেবারে বিশ্বের মাথায় পরমাণু ক্ষেপমাস্ত্র ঠেকাল তারা।

সম্প্রতি ইমরান খান সরকারের কাশ্মীর ও গিলগিট বাল্টিস্তান বিষয়ক মন্ত্রী আলি আমিন গন্দাপুর জানিয়েছেন, বারত-পাকিস্তান উত্তেজনা যদি আরও বাড়ে তাহলে পাকিস্তান যুদ্ধে যেতে বাধ্য হবে। তাই কাশ্মীর বিষয়ে যেইসব দেশ পাকিস্তানকে সমর্থন না করে ভারতকে সমর্থন করছে তাদের পাকিস্তান শত্রু হিসেবেই দেখবে এবং ভারত ও তাদের এই মিত্র দেশগুলির উপর ক্ষেপমাস্ত্র বর্ষণ করা হবে। তাঁর এই জঘন্য উত্তেজক বক্তব্যের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন এক পাক সাংবাদিক।

ভিডিওটি ভাইরাল হতেই প্রশ্ন উঠেছে আলি আমিন গন্দাপুরের মানসিক স্বাস্থ নিয়ে। এযাবৎ কালে কাশ্মীর বিষয়ে তুরস্ক, মালয়েশিয়ার মতো হাতে গোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া প্রায় সারা বিশ্বই ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে পাকিস্তান সারা বিশ্বে ভারত বিরোধী প্রচার চালাতে চেয়েছিল। ভারত সাফ জানিয়েছিল কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীন বিষয়। সার্ক দেশগুলি থেকে শুরু করে আমেরিকা, ইউরোপিয় বিভিন্ন দেশ এমনকি আরব দুনিয়ার দেশগুলিও ভারতের এই অবস্থানে সায় দিয়েছে। কাজেই ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করতে হলে পাকিস্তানকে সারা বিশ্বেই তা করতে হবে।

এর আগে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে বলতে উঠে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও যুদ্ধের উস্কানি দিয়েছিলেন। তার আগে তিনি পরমানু যুদ্ধের ভয়ও দেখিয়েছিলেন। তাতে কিন্তু হিতে বিপরীত হয়েছে। সারা বিশ্বে আরও একঘরে হয়েছে পাকিস্তান।