পাকিস্তানের বাণিজ্য রাজধানী করাচিতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা। লাহোর থেকে করাচি যাওয়ার পথে ৯৯ জন যাত্রী ও ক্রু সদস্য নিয়ে ভেঙে পড়ল পিআইএর জেট বিমান এ-৩২০। করাচির একটি আবাসিক এলাকায় বিমানটি ভেঙে পড়ে। 

এই বিমান দুর্ঘটনায় ৯৭ জনেরই  মৃত্যু নিশ্চিত করা গিয়েছে। ২ জনেক জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।  

জানা যাচ্ছে শুক্রবার বিকেলের দিকে করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি আবাসিক এলাকায় যাত্রীবাহী বিমানটি ভেঙে পড়ে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার (পিআইএ) এ–৩২০ এয়ারবাসটিতে  ৯১ জন যাত্রী ছাড়াও ছিলেন  ৮ জন ক্রু সদস্য।  জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই অবতরণের কথা ছিল বিমানটির। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, বিমানটি দুই দফায় রানওয়েতে নামার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এরপর বিমানবন্দরের পাশের আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে। এতে ওই এলাকার বেশ কিছু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আহত হন স্থানীয় অন্তত ৩০ জন বাসিন্দা।দুর্ঘটনার পর পর উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও ওই অভিযানে অংশ নেয়। হতাহতদের উদ্ধার করে আশপাশের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এই ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ জানতে  তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও পাক বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় ট্যুইটারে দুঃখপ্রকাশ করেন।

এদিকে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ  প্রকাশ্যে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া সেই ভিডিওর বীভৎসা দেখে শিউরে উঠতে হয় ৷ ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি ধীরে ধীরে নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। হঠাৎ করেই পড়ে যায়। এরপর ধোঁয়ার কুণ্ডলি উড়তে থাকে।