বৈদেশিক মুদ্রা লাভের জন্যে গাধার মুখাপেক্ষী পাকিস্তান। হ্যাঁ, পাকিস্তানে এখন গাধাই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। 

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এমনই খবর প্রকাশিত হয়েছে। চিনের সঙ্গে এক বাণিজ্য চুক্তি করেছে পাকিস্তান। এই চুক্তি অনুযায়ী, চিনকে গাধা সরবরাহ করবে পাকিস্তান।

খবর অনুযায়ী, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের প্রাণীসম্পদ দফতর এই কারণে গাধা প্রজননে মন দিতে চাইছে। গড়ে তুলতে চাইছে গাধার খামার। 

চিন জানিয়ে দিয়েছে, কিস্তিতে কিস্তিতে পাকিস্তান গাধা সরবরাহ করবে। প্রথমে দুর্বল ও অসুস্থ গাধা সরবরাহ করা হবে। প্রথম তিন বছরে ৮০,০০০ গাধা সরবরাহ করতে হবে। এর জন্য চিনের সংস্থা ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাকিস্তানে বিনিয়োগ করবে। 

খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের অধিকাংশ বাসিন্দার আয়ের উৎসই গাধা পালন। প্রায় ৭০,০০০ পরিবার গাধার উপরে নির্ভর করেই বেঁচে আছে।  তাঁদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে এই নয়া চুক্তি।

 আরও জানা যাচ্ছে, চিন গাধা কিনতে চায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণার কারণে। সেই জন্যই অসুস্থ ও মুমূর্ষু গাধার চাহিদাই বেশি সে দেশে।

পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা এই মুহূর্তে খুব ভাল নয়। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছনোর ফলে ক্ষতি হয়েছে আরও বেশি। তা বলে সুদিন ফেরাবে গাধা! অতি বড় পাক সমর্থকও একথা ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি।