ভারতের বেহাল অর্থনীতি নিয়ে বিশ্বেও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কিন্তু এই দিক থেকে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান আরও এককদম এগিয়ে রয়েছে। দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সঙ্কট  প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রধান মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত বছর টমেটোর দাম আকাশ ছুঁয়েছিল, এবার একেবারে আগুন ময়দার দাম। পাকিস্তানের অধিকাংশ মানুষরেই প্রধান খাদ্য রুটি। তাই বর্তমানে না খেয়ে মরার ভয়ে তীব্র আতঙ্কে ভুগছেন পাকিস্তানিরা।  

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বর্তমানে সেই দেশে প্রতি কেজি ময়দা ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরো ব্যবসায়ী সমিতির মতে, গমের অভাবের কারণে গত এক সপ্তাহে ময়দার দাম এক কেজিতে পাঁচ টাকা করে বেড়েছে। করাচির কোনও কোনও বাজারে ময়দা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০ টাকা দরে। গত সপ্তাহেই যা ছিল ৪৫ টাকা। গমের অভাবে ফ্লাওয়ার মিল অ্যাসোসিয়েশন পাঞ্জাব-ও প্রতি কেজি ময়দার দাম ৬ টাকা করে বাড়াতে বাদ্য হয়েছে। গুজরানওয়ালায় আগের সপ্তাহেই ২০ কেজি ময়দা বিক্রি হয়েছে ৮০৫ টাকায়। এই সপ্তাহে তা পৌঁছেছে ১,০৫০ টাকায়।

ক্রমবর্ধমান মূদ্রাস্ফীতির কারণে, খাইবার পাখতুনখোয়াতে ধাবা এবং রেস্তোরাঁ মালিকরা সোমবার থেকে ধর্মঘটে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। রেস্তোঁরা মালিকদের সমিতি ইমরান খান সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন পুরানো দামে ময়দা সরবরাহ করার জন্য। এই অবস্থায় শনিবার ইমরান খান রাজ্য সরকারগুলিকে খাদ্যের দামে লাগাম লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে কেউ গম বা অন্য খাদ্যশস্য মজুত করে রেখে কালোবাজারি না করতে পারে, সেই দিকে প্রসাসনকে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।