শাস্ত্রমতে দেবী দুর্গার আগমণ আর গমন কোন কোন বারে অর্থাৎ দিনে পড়বে তার ওপরই নির্ধারিত হয় বাহন। 

শারদীয় দুর্গাপুজো ২০২৩ এর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। অনেক পুজো প্যান্ডালেই খুঁটি পুজো সারা। প্রথা মেনে বাড়ির পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয় রথের সময় থেকেই। সেইমত বনেদি বাড়ি ও বাড়ির পুজোর দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু। কিন্তু জ্যোতিষ মতে এবার মা দুর্গার আগমণ আর গমণ মোটেও শুভ ইঙ্গিত দিচ্ছে না। কারণ দেবীর আগমণ ঘোড়া অথবা ঘোটকে। তেমনই গমণ ঘোড়ায়। শাস্ত্রমতে দেবীর আগমন আর গমণের উপযুক্ত বাহন হল হস্তি বা হাতি। তাতে নাকি শান্তি বজায় থাকে। ধরণী শস্যে পরিপূর্ণ হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

১৪ অক্টোবর মহালয়া। সেই মত ২১ অক্টোবর মহাসপ্তমী। পুরাণ অনুযাযী এই দিনই দেবীর আগমণ হয় মর্তলোকে। গমন দশমীতে। শাস্ত্রমতে দেবী দুর্গার আগমণ ও প্রস্থানের বাহনই নির্ধারণ করে দেবে বিশ্ববাসীর কাছে আগামী এক বছর কেমন যাবে। তাই ঘোড়ায় আসা আর যাওয়া দুটোই অশুভ ইঙ্গিত বহন করে।

শাস্ত্রমতে দেবী দুর্গার আগমণ আর গমন কোন কোন বারে অর্থাৎ দিনে পড়বে তার ওপরই নির্ধারিত হয় বাহন। এবার দেবীর আগমণ সপ্তমীতে, চলতি বছর সপ্তমী তিথি পড়েথে মঙ্গলবারে। আর বিজয় দশমী পড়েছে শনিবার। এই দুই দিন যদি দেবীর আগমণ আর গমন হয় তাহলে ঘোটকই দেবীর বাহন বলে বলা রয়েছে পুরাণে। তেমনই রবি বা সোমবার দেবীর বাহন হস্তি। বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার দেবীর বাহন পালকি বা দোলা। বুধবার দেবীর জন্য নির্দিষ্ট করা রয়েছে নৌকা।

চলতি বছর দেবীর আগমণ আর গমন ঘোড়ায় । মঙ্গলবার আর শনিবার হওয়ায় আগামী এক বছর অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। পুরাণগাথা অনুযায়ী ঘোড়ায় আগমণ খরা, দুর্ভিক্ষ, মহামারির ইঙ্গিত বহন করে। ঘোড়া যুদ্ধের প্রতীক। তাই যুদ্ধেরও ইঙ্গিত বহন করে। বলা হয় যুদ্ধ মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই থাকবে এক বছর। স্বাস্থ্য ভাল যাবে না।

শাস্ত্রে বলা হয়েছে দেবী যদি ঘোড়া চড়ে তাহলে তার ফল হল 'ছত্র ভঙ্গ স্তুরঙ্গমে', যার অর্থ সামাদিক রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া।