জানেন কি বিদায়ের সময় কন্যাকে চারটি জিনিস দেওয়া উচিত নয়। এই জিনিসগুলি কখনই কন্যার সঙ্গে তাঁর শ্বশুর বাড়িতে পাঠাতে নেই। সেহোরের পণ্ডিত প্রদীপ মিশ্র নিজেই তাঁর বক্তৃতায় এসব কথা বলেছেন।

প্রত্যেক বাবা মা চান তাদের মেয়ের বিয়ে সফল হোক, সার্থক হোক। প্রত্যেক বাবা মা সন্তানকে সুখী ও সুন্দর জীবন পাওয়ার কামনা করেন। তারা সবসময় চায় যে তাদের মেয়ে একটি স্নেহময় স্বামী এবং স্নেহময় শ্বশুরবাড়ি পায়। বিয়েতে কন্যাদের উপহার দেওয়ার প্রথাও বহু শতাব্দী প্রাচীন। প্রত্যেক পিতা-মাতা তাদের সামর্থ্য এবং ভালবাসা অনুসারে কন্যাকে বিয়ের সময় কিছু না কিছু উপহার দিয়ে থাকেন। কিন্তু জানেন কি বিদায়ের সময় কন্যাকে চারটি জিনিস দেওয়া উচিত নয়। এই জিনিসগুলি কখনই কন্যার সঙ্গে তাঁর শ্বশুর বাড়িতে পাঠাতে নেই। সেহোরের পণ্ডিত প্রদীপ মিশ্র নিজেই তাঁর বক্তৃতায় এসব কথা বলেছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মেয়েকে বিদায়ের সময় ভুল করেও চারটি জিনিস দেওয়া উচিত নয়। তাকে কখনই ঝাঁটা, সূঁচ, আচার ও ছাঁকনি দেওয়া উচিত নয়। আসুন জেনে নেই এর পেছনের কারণ।

আচার সম্পর্ককে টক করে দেবে

পণ্ডিত প্রদীপ মিশ্র বলেছেন যে বিদায়ের সময় কন্যাকে আচার দেওয়া তার জীবন নষ্ট করতে পারে। আচারের স্বাদ টক হওয়ায় তা দেওয়া ঠিক নয়। নিজের হাতে বানানো আচার মেয়েকে দিতে চাইলে বিয়ের পর তার বাড়িতে গিয়ে বাজার থেকে উপকরণ এনে আচার তৈরি করুন।

ঝাঁটা উপহার দেবেন না

কথিত আছে যে ঝাঁটাতে স্বয়ং লক্ষ্মী অধিষ্ঠান করেন। কিন্তু জানেন কি বিদায়ের সময় কন্যাকে কখনই ঝাঁটা দেওয়া উচিত নয়। কথিত আছে, এতে করে কন্যার সংসার-জগৎ সুখের থাকে না। তার জীবন সবসময় দুঃখে পরিপূর্ণ থাকবে। তাই বিয়ের পর বিদায়ে এই একটি জিনিস কখনোই দেবেন না।

ধারালো যন্ত্র

পণ্ডিত প্রদীপ মিশ্র বলেছেন, বিদায়ের সময় কন্যাকে কখনই সুঁচ দেবেন না। কথিত আছে যে, বিদায়ের সময় বোন বা কন্যাকে সুঁচ নিবেদন করলে সম্পর্কের মধ্যে মধুরতার পরিবর্তে তিক্ততা আসতে শুরু করে। কন্যাকে বিদায় হিসেবে সুচের মতো ধারালো যন্ত্র দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে।

চালনি বা ছাঁকনি সম্পর্ক নষ্ট করবে

বিদায়ের সময় ভুল করেও কন্যাকে ময়দার একটি চালুনি বা ছাকনি দেওয়া উচিত নয়। মকর সংক্রান্তির সময় মায়েরা তাদের মেয়েদের ১৩টি জিনিস উপহার দেন। কোনো কোনো মায়েরা এতে ময়দার চালনিও দেন, যা সঠিক নয়। কন্যাদের ময়দার চালনি দেওয়া তাদের সুখী জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এই ভুল কখনো করবেন না।