শাস্ত্রে বলা আছে পিতৃপক্ষের সময় পূর্বপুরুষরা পৃথিবীতে আসেন এবং সর্বপিতৃ অমাবস্যা পর্যন্ত এখানে থাকেন। কথিত আছে যে এই দিনগুলিতে পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। এদিন থেকে শুরু হবে পিতৃপক্ষ। পিতৃপক্ষ চন্দ্রগ্রহণ দিয়ে শুরু হবে এবং সূর্যগ্রহণের মাধ্যমে শেষ হবে। ভারতে চন্দ্রগ্রহণ আংশিকভাবে দেখা গেলেও ইউরোপের বেশিরভাগ দেশেই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। হিন্দু ধর্মে গ্রহনকালে শুভ কাজ নিষিদ্ধ। পিতৃপক্ষের প্রথম দিনে সূর্যগ্রহণ হবে। তাহলে কি এই দিনে পিতৃপুরুষদের জন্য শ্রাদ্ধ বা তর্পণ করা যাবে? আসুন জেনে নিই চন্দ্রগ্রহণ, পূর্বপুরুষের শ্রাদ্ধ ও তর্পণ নিয়ম সম্পর্কে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে পিতৃপক্ষ

শাস্ত্রে বলা আছে পিতৃপক্ষের সময় পূর্বপুরুষরা পৃথিবীতে আসেন এবং সর্বপিতৃ অমাবস্যা পর্যন্ত এখানে থাকেন। কথিত আছে যে এই দিনগুলিতে পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই দিনগুলিতে ভক্তি সহকারে পূর্বপুরুষদের শ্রাদ্ধ ও তর্পণ করা উচিত, এতে পিতৃদোষ দূর হয়। এছাড়া পিতৃপুরুষের আশীর্বাদও থাকে। পিতৃপক্ষের সময় কোন প্রাণী হত্যা করবেন না, তাদের জন্য উপযুক্ত খাবারের ব্যবস্থা করুন।

গ্রহনকালে শ্রাদ্ধ বা তর্পণ অনুষ্ঠান

পিতৃপক্ষের প্রথম দিনে চন্দ্রগ্রহণ ঘটবে। শাস্ত্র অনুসারে, পিতৃপক্ষে যদি চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণ হয়, তবে আপনি তর্পণ বা শ্রাদ্ধ করতে পারেন। শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে গ্রহণকালে শ্রাদ্ধ করলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পুণ্য পাওয়া যায়।

চন্দ্রগ্রহণ ভারতে দেখা যাবে না। তাই এর সূতক বৈধ হবে না। এমন পরিস্থিতিতে, আপনি পিতৃপক্ষে প্রতিপদ এবং পূর্ণিমা উভয় তিথিতে পিতৃকর্ম করতে পারেন। ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭.৪৩ মিনিট থেকে চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে এবং রাত ৮.৪৬ মিনিট পর্যন্ত চলবে।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে চন্দ্রগ্রহণের গুরুত্ব

জ্যোতিষীদের মতে, গ্রহনকালে চন্দ্র ও সূর্য রাহু ও কেতুকে প্রভাবিত করে। রাহু ও কেতুকে ছায়া গ্রহ বলে মনে করা হয়। শাস্ত্রে তাকে সাপ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। রাহু কেতু পূর্ণিমার দিনে চাঁদকে এবং অমাবস্যার দিনে সূর্যকে প্রভাবিত করে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ অনুসারে, পৃথিবী সূর্যের চারদিকে এবং চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। এই সময়কালে চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি বা দূরে থাকে। পৃথিবী যখন সূর্য ও চাঁদের কক্ষপথের মাঝখানে চলে আসে তখন তাকে চন্দ্রগ্রহণ বলে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।