শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার লাইনে মল্লিকপুর থেকে ২ মিনিট হাঁটলেই চোখে পড়ে মাঠের পাশে আধুনিকতায় মোড়া এমবিপিএস ওয়াটারভিউ আবাসন। বেশিদিন নয়, মাত্র এক বছর আগেই পথ চলা শুরু করেছে আবাসনটি। তার মধ্যেই উপস্থিত আবাসিকদের মধ্যে গড়ে উঠেছে এক সুন্দর সৌভ্রাতৃত্ব। তারই ফল স্বরূপ এবার এই আবাসনটি আয়োজিত করতে চলেছে আবাসনের প্রথম দুর্গাপুজো। 

শুধুমাত্র পুজোর আচার আচরণ নয়, আরও নানান রকম সাংস্কৃতিক কার্যকলাপের ব্যবস্থাও করেছেন এখানকার পুজো উদ্যোক্তারা। পুজোর পাঁচ দিন পুজোর যাবতীয় নিয়মকানুন বিধিপূর্বক পালন করার সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলিতেও মেতে থাকবেন বাসিন্দারা। বাঙালিয়ানার চূড়ান্ত প্রতিফলন দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এই আবাসনটির পুজো থেকে শুরু করে সমস্ত সাংস্কৃতিক কার্যকলাপের সঙ্গেও যুক্ত। শুধু বাঙালিয়ানাই নয়, তার সঙ্গে অন্যান্য নানান প্রদেশের সংস্কৃতির ছাপও পাওয়া যাবে এমবিপিএস ওয়াটারভিউর অনুষ্ঠানগুলিতে।

আরও পড়ুন- তেল-কালিমাখা হাতে স্বপ্নের ক্যানভাসে, রং ধরান মোটর মেকানিক অমর পাল 

আবাসিকদের মতে বাঙালিয়ানার অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্যগুলি গ্রহণ করার ক্ষমতা, তাই অন্যান্য প্রদেশগুলির সংস্কৃতিও জায়গা পাচ্ছে তাদের অনুষ্ঠানে। বাজেট কিংবা সদস্য তুলনামূলক ভাবে কম হলেও উৎসাহ এবং উদ্দীপনার কোনও খামতি নেই এমবিপিএস ওয়াটারভিউর আবাসিকদের। এই উদ্দীপনা সম্ভব করেই সফলভাবে পুজোর আয়োজনে বদ্ধপরিকর আবাসিকরা। কারণ তাদের বিশ্বাস, ফোয়ারার উৎস যতই ছোট হয়, তার ব্যাপ্তি ততই বেশি। 

দেখে নিন- একাদশ শ্রেণির সুপর্ণার হাতে রূপ পেল বিশ্বকর্মা

আগামী কয়েকবছরের মধ্যে তাদের পুজোকে এলাকার সেরা পুজো হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়েই এই বছর প্রথমবার সফলতার সঙ্গে  সমস্ত পুজো সম্পন্ন করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী সকলেই।