Brazil vs France: ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 1998) থেকেই ফুটবল মাঠে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় শত্রু ফ্রান্স। কিন্তু গত তিন দশকেও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে উপযুক্ত বদলা নিতে পারেনি ব্রাজিল। উল্টে বারবার ফ্রান্সের কাছে হারতে হয়েছে। এবারের বিশ্বকাপের বেশিদিন বাকি নেই। তার আগে ফ্রেন্ডলি ম্যাচে ফের ফ্রান্সের কাছে হেরে গেল ব্রাজিল।

DID YOU
KNOW
?
ব্রাজিলের ফ্রান্স-গাঁট
১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পর থেকে বারবার ফ্রান্সের কাছে হেরে যাচ্ছে ব্রাজিল।

Brazil vs France Friendly: ব্রাজিলের জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম পরীক্ষাতেই ব্যর্থ কার্লো অ্যান্সেলোত্তি (Carlo Ancelotti)। রিয়াল মাদ্রিদের (Real Madrid) প্রাক্তন কোচ স্পেনের এই বিখ্যাত ক্লাবের বর্তমান দলের অন্যতম ভরসা কিলিয়ান এমবাপের (Kylian Mbappe) কাছে হেরে গেলেন। দ্বিতীয়ার্ধে ৩৫ মিনিটেরও বেশি সময় ১০ জনে খেলেও জয় পেল ফ্রান্স। ম্যাচের ফল ২-১। ৩২ মিনিটে প্রথম গোল করেন এমবাপে। প্রথমার্ধের শেষে ১-০ এগিয়েছিল ফরাসিরা। ৫৪ মিনিটে ভিএআর-এর (VAR) সাহায্য নিয়ে ফ্রান্সের দায়ত উপামেচানোকে (Dayot Upamecano) দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। ফলে ১০ জনে হয়ে যায় ফ্রান্স। কিন্তু বিপক্ষ দলকে এই অবস্থায় পেয়েও তার সুযোগ নিতে পারেনি ব্রাজিল। উল্টে ১০ জনে হয়ে যাওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে দ্বিতীয় গোল করে ফরাসিদের ব্যবধান বাড়ান হুগো একিতিকে (Hugo Ekitike)। ৭৮ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে ব্যবধান কমান গ্লেইসন ব্রেমার (Gleison Bremer)। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। বাকি সময়ে রক্ষণ অটুট রেখে জয় ছিনিয়ে নেয় ফ্রান্স।

অ্যান্সেলোত্তিকে টেক্কা দেশঁর

ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশঁ অধিনায়ক ও কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছেন। তাঁর কোচিংয়ে গত এক দশকে বিশ্বের অন্যতম সেরা দল হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। বিশ্বকাপ জেতার পর রানার্সও হয়েছে তারা। এবারের বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) জেতার অন্যতম দাবিদার ফরাসিরা। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ম্যাচে দেশঁ দেখিয়ে দিলেন, তাঁর দল বিশ্বকাপের জন্য তৈরি। এই ম্যাচে ব্রাজিলকে মাঝমাঠের দখল নিতে দেয়নি ফ্রান্স। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলিতে ফরাসিরাই দক্ষতার পরিচয় দেন। ১০ জনে হয়ে যাওয়ার পরেও ফ্রান্সের খেলায় কোনও বদল দেখা যায়নি। তাদের দাপট অব্যাহত থাকে।

রেকর্ডের পথে এমবাপে

আর দু'গোল করলেই ফ্রান্সের জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড গড়বেন এমবাপে। এই স্ট্রাইকার অসাধারণ ফর্মে। তিনি ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ধারাবাহিকভাবে গোল করে চলেছেন। তাঁর এই ফর্ম বিশ্বকাপের আগে ফ্রান্সের বড় ভরসা।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।