Big Bash League: অস্ট্রেলিয়ান টি-টোয়েন্টি লিগ বিগ ব্যাশে পরের মরশুম থেকে চালু হচ্ছে নয়া নিয়ম। এই পরিবর্তনের ফলে, প্রতিটি দলকে একজন করে ডেজিগনেটেড ব্যাটার এবং একজন করে ডেজিগনেটেড ফিল্ডার অন্তর্ভুক্ত করার অনুমতি দেওয়া হবে। 

Big Bash League: অস্ট্রেলিয়ান টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশ লিগে (BBL) এবার আসছে নতুন নিয়ম। পরবর্তী মরশুম থেকে প্রতিটি দলের প্রথম একাদশে একজন করে 'ডেজিগনেটেড ব্যাটার' এবং একজন করে 'ডেজিগনেটেড ফিল্ডার' অন্তর্ভুক্ত করার অনুমতি দেওয়া হবে। এই পরিবর্তনের ফলে, দলের ভারসাম্য বজায় রাখা অনেকটা সহজ হবে এবং ক্রিকেটারদের উপর থেকে ওয়ার্কলোড কমবে। যার ফলে, চোটের সম্ভাবনাও অনেক কম থাকবে (big bash league rules t20)। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

নতুন নিয়মটি কী?

প্রতিটি ম্যাচে, টসের আগে দলগুলি তাদের প্রথম একাদশের জন্য একজন করে ডেজিগনেটেড ব্যাটার এবং একজন করে ডেজিগনেটেড ফিল্ডারকে মনোনীত করতে পারবে। ডেজিগনেটেড ব্যাটার হিসেবে দলে আসা ক্রিকেটারটি শুধু ব্যাটিং করতে পারবেন। কিন্তু তিনি কোনওভাবেই ফিল্ডিং বা বোলিং করতে পারবেন না। আবার একইভাবে, ডেজিগনেটেড ফিল্ডার হিসেবে নামা ক্রিকেটারটি শুধু ফিল্ডিং এবং কিপিং করতে পারবেন। তবে তিনি বোলিং করতে পারবেন না।

আইপিএলে প্রচলিত ইমপ্যাক্ট সাব নিয়মের থেকে এটি একটি আলাদা। ইমপ্যাক্ট সাব হিসেবে প্রথম একাদশে আসা ক্রিকেটারটি ব্যাটিং এবং বোলিং, উভয়ই করতে পারেন। কিন্তু এখানে ক্রিকেটারকে যে বিভাগের জন্য মনোনীত করা হয়েছে, তিনি শুধুমাত্র সেই কাজটিই করতে পারবেন। তবে ডেজিগনেটেড খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক নয়। দলগুলি এই বিষয়ে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

চোটও এড়ানো সম্ভব হবে

ডেজিগনেটেড ফিল্ডারকে অন্তর্ভুক্ত করলে প্রত্যেকটি দল একজন করে উইকেটকিপার বা ফিল্ডারকে পুরো সময়ের জন্য মাঠে পাবে। অপরদিকে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়ের সময়, ডেজিগনেটেড ব্যাটারকে মাঠে পাঠিয়ে ব্যাটিং-এর শক্তিও অনেকটা বৃদ্ধি করা যাবে। সেইসঙ্গে, ফিল্ডিং করার সময় ব্যাটারদের চোটও এড়ানো সম্ভব হবে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।