Gautam Gambhir: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ব্যবহার করে তাঁর নাম, মুখ এবং কণ্ঠস্বর বিকৃত করা হচ্ছে, এই অভিযোগে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ গৌতম গম্ভীর।
Gautam Gambhir: নিজের নাম, মুখ এবং কণ্ঠস্বর অনুমতি ছাড়াই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিকৃত করা হচ্ছে, এই অভিযোগে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো ভিডিও এবং ভয়েস মেসেজের বিরুদ্ধেই এই মামলা করেছেন তিনি (gautam gambhir news)।
গম্ভীরের দাবি, তাঁর 'পার্সোনালিটি রাইটস' বা ব্যক্তিত্বের অধিকার রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি যারা এই ধরনের ভুয়ো কনটেন্ট ছড়াচ্ছে, তাদের থেকে ২.৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও চেয়েছেন তিনি। এইসব ভিডিও অবিলম্বে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন গম্ভীর।
কী জানালেন গৌতম গম্ভীর?
ভারতীয় দলের হেড কোচের কথায়, "কিছু লোক আমার নাম, মুখ এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। তার এইসব করে টাকা রোজগার করার চেষ্টা করছে। এটা শুধু ব্যক্তিগত কষ্টের বিষয় নয়, এটা আইন এবং সম্মানের প্রশ্নও। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের এই যুগে প্রত্যেক পাবলিক ফিগারেরই এই সুরক্ষাটা পাওয়া উচিত।''
জানা গেছে, ২০২৫ সালের শেষদিক থেকে ইনস্টাগ্রাম, এক্স এবং ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে গম্ভীরের নামে ভুয়ো ভিডিওর সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকে। একটি ভুয়ো ভিডিওতে দাবি করা হয় যে, গম্ভীর নাকি কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। সেই ভিডিওটি ২৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ দেখেন। অন্য একটি ভিডিওতে গম্ভীর সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়ে খারাপ মন্তব্য করেছেন বলে প্রচার করা হয়, যা ১৭ লক্ষেরও বেশি ভিউ পায়।
সাফল্যের মাঝেও বিতর্ক
গৌতম গম্ভীরের কোচিংয়ে ভারতীয় দল এক সোনালী সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তাঁর প্রশিক্ষণে ভারত ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, এশিয়া কাপ এবং ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে। পরপর দু'বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে ভারত একটি রেকর্ডও গড়েছে। তবে এত সাফল্যের পরেও সাইবার দুনিয়ায় গম্ভীরকে নিয়ে ট্রোল এবং AI ব্যবহার করে ভুয়ো প্রচার বেড়েই চলেছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
