Royal Challengers Bengaluru: ২০০৮ সালে আইপিএল-এর (IPL 2008) প্রথম মরসুম থেকে এখনও পর্যন্ত যে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি খেলছে, তাদের অন্যতম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। শুরু থেকেই এই ফ্র্যাঞ্চাইজির ব্র্যান্ড ভ্যালু বেশি। পরপর দু'বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আরসিবি-র ব্র্যান্ড ভ্যালু বেড়ে গিয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
আইপিএল-এর বাণিজ্য বৃদ্ধি
আইপিএল-এর ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধি পেয়ে ২০.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছে গিয়েছে।

Royal Challengers Bengaluru News: আইপিএল-এর (IPL) ইতিহাসে প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্র্যান্ড মূল্যায়নের মাইলফলক স্পর্শ করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও অসাধারণ এক বছর কাটিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি। এদিকে, ২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো আইপিএল-এর সামগ্রিক বাণিজ্য মূল্য (Business Value) ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের গণ্ডি পেরিয়ে ২০.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। বুধবার প্রকাশিত হাউলিহান লোকি (Houlihan Lokey)-এর ২০২৬ আইপিএল ভ্যালুয়েশন স্টাডি অনুযায়ী, গত এক বছরে আইপিএল-এর বাণিজ্য মূল্য ১১.৪ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। এই সময়ে লিগটির স্বতন্ত্র ব্র্যান্ড মূল্য (Standalone Brand Value) বেড়ে ৪.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আইপিএল-এ বিনিয়োগকারীদের আস্থা

প্রতিবেদনে হাউলিহান লোকির ফাইন্যান্সিয়াল অ্যান্ড ভ্যালুয়েশন অ্যাডভাইজরি বিভাগের ডিরেক্টর হর্ষ তালিকোটি বলেছেন, আইপিএল-এর আর্থিক বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় প্রমাণ এসেছে বিনিয়োগকারীদের আস্থার মাধ্যমে। তাঁর কথায়, ‘এ বছর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আমাদের মূল্যায়ন মডেল থেকে আসেনি, এসেছে বাজার থেকে। দু’টি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা বদল হয়েছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ১.৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে এবং রাজস্থান রয়্যালস (Rajasthan Royals) ১.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে। এই ক্রেতারা ঠিক সেই মানের বিনিয়োগকারী, যাঁদের আইপিএল আকর্ষণ করবে বলে আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস করে এসেছি।' তিনি আরও বলেছেন, রেকর্ড মূল্যে ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রি হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করছে, আইপিএল এখন বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় ক্রীড়া বিনিয়োগে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি, প্রাইভেট ইকুইটি প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়িক নেতাদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে এই লিগকে ঘিরে।

আইপিএল-এর আর্থিক বৃদ্ধি

প্রতিবেদনটিতে গত কয়েক বছরে আইপিএল-এর দ্রুত বাণিজ্যিক বৃদ্ধির চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৩ সালে আইপিএল-এর ব্যবসায়িক মূল্য ছিল ১৫.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৪ সালে তা বেড়ে হয় ১৬.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৫ সালে পৌঁছয় ১৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে এবং ২০২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এছাড়া, ২০২৬ মরসুমে সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ ও টিকিট বিক্রি-সহ আইপিএল-এর মোট আয় ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।