১৬ বছর বয়স থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন সচিন তেন্ডুলকর। দেশ-বিদেশের ক্রিকেটারদের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র সচিন। অবসরের ১০ বছর পরেও সচিনের ভাবমূর্তি একইরকম আছে।

কিশোর বয়স থেকে সচিন তেন্ডুলকরকে দেখছেন ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কপিল দেব। ১৯৮৯ সালের পাকিস্তান সফরে প্রথমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেন সচিন। তার আগে থাকতেই সচিনকে চিনতেন কপিল। ১৯৮৮ সালে প্রয়াত রাজ সিং দুঙ্গারপুরের কথায় প্রথমবার সচিনকে বোলিং করেন কপিল। তখনই তিনি মুগ্ধ হন। এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সচিনের খেলা দেখে মুগ্ধতা বাড়ে 'হরিয়ানা হ্যারিকেন'-এর। তাঁর কথায় ‘ক্রিকেটের ইতিহাসে বিরল রত্ন হয়ে থাকবে সচিন।’ অবসর নেওয়ার আগে পর্যন্ত জাতীয় দলে সচিনের সঙ্গে খেলেছেন কপিল। ফলে খুব কাছ থেকে তাঁকে দেখেছেন কপিল। সেই কারণেই সচিনের প্রশংসায় কার্পণ্য করেন না কপিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সচিন সম্পর্কে একটি মজার ঘটনার কথা জানিয়েছেন অপর এক কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর। তাঁর কথায়, '১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপের পর আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিই। এরপর আমার লেগ গার্ড উপহার দিই সচিনকে। এর কয়েকদিন পরে ও আমার বাড়িতে আসে। ও আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি কার্ড দেয়। সেই কার্ডে ব্লক লেটারে ওর নাম লেখা ছিল। কার্ডে আমি ওকে সই করে দিতে বলি। কিন্তু ওর স্বাক্ষর বোঝা যাচ্ছিল না। আমি ওকে বলি, ভবিষ্যতে তোমাকে অনেক অটোগ্রাফ দিতে হবে। তাই তোমার স্বাক্ষর যাতে সবাই চিনতে পারে, সেরকম সই করো। ৫০ বছর পরেও যাতে লোকজন বলতে পারে, এই দেখো, সচিন তেন্ডুলকরের অটোগ্রাফ। তুমি স্যার ডন, স্যার গালফিল্ড, বিজয় মার্চেন্টের অটোগ্রাফ দেখেছো? অবসর নেওয়ার বহু বছর পরেও তাঁদের স্বাক্ষর সবাই চিনতে পারে। তখন সচিন বলে, ওঁদের সই নকল করা সহজ না? ১৪ বছরের ছেলের এই কথা শুনে আমি না হেসে পারিনি।'

সচিন সম্পর্কে মুগ্ধতা রয়েছে ভারতীয় দলের প্রাক্তন তারকা দিলীপ বেঙ্গসরকারেরও। এই তারকা জানিয়েছেন, ‘স্কুল ক্রিকেটে অনেক রান করছিল সচিন। সেই কারণে আমি ওর কথা শুনেছিলাম। বাসু পরাঞ্জপে যখন আমাকে ওর কথা বলে, তখন আমি ওকে বলি, সচিনকে ভারতীয় দলের নেটে নিয়ে এসো। আমি তখন ভারতের অধিনায়ক। কপিল দেব, চেতন শর্মা, মনিন্দর সিংয়ের মতো বোলারদের বলি, সচিনকে বোলিং করো। ওরা সবাই বোলিং করতে রাজি হয়। ওদের বল ভালোভাবেই সামাল দেয় সচিন। আমরা সবাই ওর প্রতিভার পরিচয় পাই। এরপর আমি সচিনকে ব্যাট উপহার দিই।’

আরও পড়ুন-

Sachin Tendulkar Birthday: জীবনের ৫০ পূর্ণ সচিনের, শুভেচ্ছা সারা ক্রিকেট দুনিয়ার

Sachin Tendulkar: সবসময় মাথা উঁচু করে চলেন, সচিনের জন্মদিনে শুভেচ্ছা যুবরাজের

Sachin Tendulkar 50: হীরা হীরাই হয়! তাই তাঁর নামে বিশেষ হীরার আত্মপ্রকাশেও দাদা অজিতকে কৃতজ্ঞতায় ভরিয়ে দিলেন সচিন তেন্ডুলকর