East Bengal vs Mohammedan: ৭-০ গোলে জয় ছিনিয়ে নিল লাল হলুদ শিবির। যুবভারতীতে লাল হলুদ ব্রিগেডের দাপট। গোটা ম্যাচে লাল হলুদ যে দাপটের সঙ্গে ফুটবলটা খেলেছে, সেটা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কার্যত, বিধ্বংসী ফুটবল উপহার দিলেন বিপিন সিংরা। সেই সুবাদেই এত বড় জয় হাসিল করল তারা। গোটা মাঠজুড়ে অসাধারণ ফুটবল খেললেন জিকসন-রশিদ এবং মিগুয়েলরা।

East Bengal vs Mohammedan: যুবভারতীতে লাল হলুদ ব্রিগেডের দাপট (east bengal vs mohammedan)। অপেক্ষাকৃত দুর্বল সাদাকালো শিবিরকে পেয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করল কোচ অস্কার ব্রুজোর দল। আইএসএল-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সোমবার, কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মুখোমুখি হয় ইস্টবেঙ্গল বনাম মহামেডান স্পোর্টিং (east bengal vs mohammedan sc)। 

৭-০ গোলে জয় ইস্টবেঙ্গলের

সেই ম্যাচেই ৭-০ গোলে জয় ছিনিয়ে নিল লাল হলুদ শিবির। অর্থাৎ, ইস্টবেঙ্গলের আজকের ম্যাচের ফলাফল ৭-০। গোটা ম্যাচে লাল হলুদ যে দাপটের সঙ্গে ফুটবলটা খেলেছে, সেটা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কার্যত, বিধ্বংসী ফুটবল উপহার দিলেন বিপিন সিংরা। সেই সুবাদেই এত বড় জয় হাসিল করল তারা। গোটা মাঠজুড়ে অসাধারণ ফুটবল খেললেন জিকসন-রশিদ এবং মিগুয়েলরা। 

মাঝমাঠ ও উইং দিয়ে লাগাতার আক্রমণ তুলে আনলেন এডমুন্ড এবং বিষ্ণুরা। বলা চলে, ইস্টবেঙ্গলের সামনে খেই হারিয়ে ফেলল মহামেডান। এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ১০ গোল দিলেও কিছু বলার থাকত না। অন্যদিকে, এই জয়ের ফলে আইএসএল-এর রেকর্ড বুকে নাম তুলে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। 

কারণ, এর আগে ২০১৫ সালে মুম্বই সিটি এফসিকে ৭-০ গোলে হারিয়ে রেকর্ড গড়ে এফসি গোয়া। তারপর আবার ২০২৬ সালে, মহামেডানকে ৭-০ গোলে হারাল লাল হলুদ ব্রিগেড। অর্থাৎ, আইএসএল-এর ইতিহাসে বৃহত্তম জয়ের রেকর্ড অনুযায়ী, এটি যুগ্মভাবে শীর্ষে অবস্থান করছে।

দুরন্ত ফুটবল ইস্টবেঙ্গলের

ম্যাচের প্রথমার্ধ এবং দ্বিতীয়ার্ধ, দুটি ক্ষেত্রেই দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেয় অস্কার ব্রুজোর ছেলেরা। খেলার ৬ মিনিটে, প্রথম গোলটি করেন আনোয়ার আলী। এরপরের গোলটি আসে পেনাল্টি থেকে। মিগুয়েলকে বক্সে ফেলে দেন মহামেডান ডিফেন্ডার। সেই সূত্রেই রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। ম্যাচের ১৪ মিনিটে, সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান ইউসেফ এজ়েজ্জারি। 

Scroll to load tweet…

প্রসঙ্গত, তারপরের গোলটিও আসে পেনাল্টি থেকেই। ইস্টবেঙ্গলের এডমুন্ডকে পিছন থেকে টেনে ফেলে দেন মহামেডানের জোসেফ। ফলে, তাঁকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। তবে এই ঘটনার কিছুক্ষণ আগে, আরেকটি ফাউল করার অপরাধে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই, দুটি হলুদ কার্ড দেখায় মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। এরপর গোটা ম্যাচ দশজনে খেলে সাদাকালো ব্রিগেড। 

জোড়া গোলের নায়ক আনোয়ার এবং ইউসেফ

খেলার ৩৮ মিনিটে, সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে যান সল ক্রেসপো। প্রথমার্ধ শেষ হয় ৩-০ ফলাফল নিয়ে। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে যেন আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে, আবার গোল করেন সেই ইউসেফ এজ়েজ্জারি। এক্ষেত্রে মিগুয়েলকে বক্সের ভিতরে ফেলে দেন মহামেডান ফুটবলার পদম ছেত্রী। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। সেই পেনাল্টি থেকেই গোল করে যান ইউসেফ এজ়েজ্জারি।

Scroll to load tweet…

তারপর খেলার ৭৫ মিনিটে, আবার গোল। এবার ইস্টবেঙ্গলের হয়ে স্কোর করেন পিভি বিষ্ণু। তবে সেখানেই শেষ নয়। এরপর ৭৯ মিনিটে, লাল হলুদের হয়ে গোল করেন আনোয়ার আলী। খেলার একেবারে অন্তিম লগ্নে এসে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে শেষ গোলটি করেন নন্দকুমার। 

শেষপর্যন্ত, ৭-০ গোলে মহামেডানকে হারিয়ে জয় হাসিল করে ইস্টবেঙ্গল। যুবভারতীতে যেন লাল হলুদ ঝড়। জোড়া গোলের নায়ক আনোয়ার আলী এবং ইউসেফ এজ়েজ্জারি। আর এই জয়ের পর, ৬ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।