FIFA World Cup 2026: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (USA) এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে কি যোগ দেবে ইরান (Iran)? বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার দেড় মাস আগেও এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। ইরানের জাতীয় ফুটবল দল যাতে বিশ্বকাপে যোগ না দেয়, তার জন্য চাপ তৈরি করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump)।

DID YOU
KNOW
?
প্রথমবার ৩ দেশে বিশ্বকাপ
২০০২ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল হয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। ২৪ বছর পর ৩ দেশ মিলিয়ে হতে চলেছে বিশ্বকাপ ফুটবল।

USA vs Iran: বিশ্বকাপ ফুটবলে (FIFA World Cup 2026) ফের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাব পড়তে চলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US President Donald Trump) এক দূত ফিফার কাছে দরবার করছেন, ইরানকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপে ইতালিকে (Italy) খেলার সুযোগ দেওয়া হোক। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোকে (Gianni Infantino) এই প্রস্তাব দিয়েছেন ট্রাম্পের প্রতিনিধি পাওলো জাম্পোলি (Paolo Zampolli)। এর আগে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, তাদের ম্যাচগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বদলে অন্য কোনও দেশে আয়োজন করা হোক। কিন্তু ফিফার পক্ষ থেকে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, ইরানের কোনও ম্যাচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অন্য দেশে সরানো হবে না। ইরান শুরুতে বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার ইঙ্গিত দিলেও, পরে জানিয়েছে, বিশ্বকাপে দল পাঠাবে। কিন্তু ট্রাম্প এখনও ইরানকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্ক ও জটিলতা তৈরি হয়েছে।

বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে ইতালি?

বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে ছিটকে গিয়েছে ইতালি। ফলে আজুরিদের (Azzurri) এবারের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ নেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতির কারণে ইরানকে বাদ দিয়ে ইতালিকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে জাম্পোলি বলেছেন, ‘আমি ট্রাম্প ও ইনফ্যান্তিনোকে প্রস্তাব দিয়েছি, ইরানের পরিবর্তে ইতালিকে বিশ্বকাপে নেওয়া হোক। আমার পরিবার ইতালির। আমার স্বপ্ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত বিশ্বকাপে আজুরিরা খেলুক। চার বার বিশ্বকাপ জিতেছে ইতালি। ফলে ইতালিকে বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়া যুক্তিসঙ্গত হবে।’

কী সিদ্ধান্ত নেবে ফিফা?

বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের মাধ্যমে মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইরান। ফলে তাদের বাদ দেওয়া ফিফার পক্ষে সহজ হবে না। ইরান যদি বিশ্বকাপ থেকে নিজেরা সরে যায়, তাহলে এশিয়ার অন্য কোনও দলকে সুযোগ দেওয়ার দাবি জানাতে পারে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (Asian Football Confederation)। ফলে ইতালির পক্ষে পিছনের দরজা দিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া কঠিন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।