তিকিতাকা দেখতে মাঠ ভরিয়েছিলেন দু' দলের সমর্থকরা। কিন্তু মরশুমের প্রথম ডার্বি শেষ হল গোলশূন্য ড্রয়ে। ইস্টবেঙ্গল অথবা মোহনবাগান, বড় ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারলেন দুই দলের কোনও স্প্য়ানিশ তারকাই। 

এ দিন অবশ্য প্রথমার্ধটা দাপিয়ে খেলল কিবু ভিকুনার মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা খেলা ধরে আলেজান্দ্রোর ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু প্রথম ডার্বিতে বোধহয় বাড়তি ঝুঁকি নিতে চাননি কোনও কোচই। সেই কারণেই ঘর সামলে আক্রমণের রাস্তাতেই গিয়েছে দুই দল। ইস্টবেঙ্গলে কোচ তো তাঁর সেরা অস্ত্র কোলাদোকে প্রথম একাদশেই রাখেননি। সত্তর মিনিটে লাল হলুদের প্রাণভোমরা যখন মাঠে নামলেন, তখন আর নতুন করে কিছু করার ছিল না তাঁর। 

অন্যদিকে খেলার শুরু থেকেই মাঝমাঠের দখল নিয়েছিলেন বেইতিয়া, চুলোভারা। তবে সেই সময়ও কিবুর দল গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে ব্যর্থ হয়। খেলার বিপরীত গতিতে দু' একটি সুযোগ এসেছিল লাল- হলুদ শিবিরের কাছেও। কিন্তু প্রতিশ্রুতিমান ভারতীয় স্ট্রাইকার রোনাল্ডো অলিভিয়েরা বা নতুন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার এস্পাদা, কেউই সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি। 

যদিও খেলার ষাট মিনিটে সম্ভবত ম্যাচে গোল করার সবথেকে সহজ সুযোগ হারান মোহনবাগানের সুহের। ছ' গজের বক্সের মধ্যে আশুতোষের ক্রস থেকে নেওয়া কেরলের স্ট্রাইটারের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর কয়েক মিনিট পরেই উল্টো দিকে লাল হলুদকে এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের রোনাল্ডোও। কিন্তু গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট পেয়েই খুশি থাকতে হল দু' দলের কোচকে।