বক্সিংয়ে ২০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা। তাঁর পাশাপাশি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে রয়েছে ৬টি স্বর্ণ পদক। একই সঙ্গে এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসেও জিতেছেন সোনা। আর ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকের ব্রোঞ্জ এখনও স্মরণীয় ভারতের ক্রীড়া মহলে। এক কথায় দেশের তারকা বক্সার হিসাবে একমাত্র হলেন মেরি কম। তবে তারকা হলেও ফের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেকে নতুন করে প্রমান করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন মেরি। আর তাঁর পাশাপাশি অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন করে টোকিওয়ে দেশের হয়ে স্বর্ণ পদকের স্বপ্ন এখন মেরির চোখে।

আরও পড়ুন, গ্রিষ্মে ক্রিকেট নিয়ে উদ্বেগে প্রাক্তন অজি অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল

মণিপুরের কাঙ্গাঠেয়ি থেকে শুরু করে এখন বিশ্ব দরবারে খ্যাতি অর্জন করেছেন মেরি কম। মা হওয়ার পরেও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের হয়ে পদক জিতেছেন তিনি। নতুন করে প্রমান করার কিছুই প্রমান করার নেই এই ভারতীয় বক্সারের। তবুও এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সপ্তম সোনা জেতার স্বপ্ন দেখছেন মেরি কম। কিছুদিন আগে ভারতীয় দলের যোগ্যতা অর্জনের জন্য ট্রায়াল দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন বিএফআই। তবে সেই প্রস্তাবে রাজি হননি মেরি। এই বিষয় নিয়ে কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন মেরি। এই বিষয় নিয়ে তিনি বলেন,'আমি কোনও জুনিয়র বক্সার নই। ২০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার। পাশাপাশি নিজের যোগ্যতা আমি সব জায়গায় প্রমান করে দিয়েছি। এতকিছুর পরেও যদি ট্রায়াল দেওয়ার কথা বলা হয় তখন ব্যাপারটা অসম্মানীয় হয়ে দাঁড়ায়। আন্তর্জাতিক জায়গায় পদক পাওয়ার পরেও আলাদা করে প্রমান করার কিছু থাকে না।'

আরও পড়ুন, উসেইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙলেন অ্যালিসন, মিক্সড রিলেতে সাত নম্বরে শেষ করল ভারতীয় দল

এই মুহূর্তে প্রমান করার কিছু নেই ভারতের এই মহিলা বক্সারের। তবে বিএফআইয়ের ওপর ক্ষুব্ধ হলেও, 'আগামী মাসে প্রতিযোগিতায় নামতে চলেছেন মেরি কম। আর সেখানেই সব কিছুর জবাব দিতে চাইছেন মেরি। মণিপুরের বক্সার বলেন, 'দেখা যাক বিশ্ব চ্যাম্পিনশিপে নামবো। সেই প্রতিযোগিতায় নেমে ভালো আরও ভালো পারফর্ম করতে চাই। অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন রয়েছে। সেটাও একটা লক্ষ্য। নিজের বক্সিং কেরিয়ার শেষ করার আগে আমার অন্যতম লক্ষ্য হল অলিম্পিকে দেশের হয়ে স্বর্ণ পদক জেতার।'