Mohun Bagan Transfer Update: জাতীয় দলের এই সেরা অ্যাটাকিং-মিডিওকে তুলে নিয়ে বিপক্ষকে বিরাট বার্তা দিল মোহনবাগান। দুরন্ত গতির সঙ্গে হঠাৎ করে দ্রুত কাট করে ভিতরে ঢুকে গোল করা এবং সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোয় সিদ্ধহস্ত হলেন ছাংতে। ভারতীয় ফুটবলে তিনি বেশি পরিচিত “মিজো ফ্ল্যাশ” হিসেবে।
Mohun Bagan Transfer Update: দলবদলের বাজারে আবারও বড় চমক মোহনবাগানের। ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম গতিশীল উইঙ্গার লালিয়ানজুয়ালা ছাংতে-কে তিন বছরের চুক্তিতে সই করাল সবুজ মেরুন ব্রিগেড (Lallianzuala Chhangte latest updates)। জাতীয় দলের এই সেরা অ্যাটাকিং-মিডিওকে তুলে নিয়ে বিপক্ষকে বিরাট বার্তা দিল মোহনবাগান। দুরন্ত গতির সঙ্গে হঠাৎ করে দ্রুত কাট করে ভিতরে ঢুকে গোল করা এবং সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোয় সিদ্ধহস্ত হলেন ছাংতে। ভারতীয় ফুটবলে তিনি বেশি পরিচিত “মিজো ফ্ল্যাশ” হিসেবে। কারণ, দৌড়ের সময় তাঁর গতি ঘন্টায় ৩৮ কিলোমিটারের বেশি থাকে। প্রসঙ্গত, মুম্বই সিটি এফসি-র জার্সি গায়ে গত চার বছর ধরে তিনি লাগাতার পারফর্ম করে গেছেন। তাঁর গত প্রতিপক্ষকে কার্যত, নাস্তানুবাদ করে ছেড়েছে বারবার (mohun bagan transfer update)।
মোহনবাগানে সই করলেন ভারতের অন্যতম সেরা অ্যাটাকিং মিডিও
পাশাপাশি গোলও করেছেন প্রচুর। গত আইএসএলে ১৩টি ম্যাচে চার গোল করেছেন ছাংতে। মুম্বইয়ের হয়ে ছাংতে সবমিলিয়ে ৯১ ম্যাচ খেলে ৩০টি গোল করেছেন। জিতেছেন লিগ-শিল্ড। ভারতের জাতীয় দলের অপরিহার্য এই মিডিও দেশের হয়ে খেলেছেন মোট ৫৫টি ম্যাচে এবং নামের পাশে রয়েছে ৯টি গোল। মিজোরামের ২৯ বছর বয়সী এই ফুটবলারটি মোহনবাগানে য়োগ দেওয়ায় মাঝমাঠের শক্তি আরও বাড়ল সবুজ মেরুন ব্রিগেডের। দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলে দাপিয়ে খেললেও কলকাতায় এই প্রথম খেলতে আসছেন তিনি।

এই প্রসঙ্গে ছাংতে জানালেন, “ভারতের যে কোনও ফুটবলারের মনেই সবুজ মেরুন জার্সি পরে খেলার একটা স্বপ্ন থাকে। ছোটবেলা থাকেই ভাবতাম যে, কলকাতায় যদি খেলতে যাই তবে মোহনবাগানেই খেলব। সেই স্বপ্ন আমার অবশেষে পূরণ হল। অন্য ক্লাবের প্রস্তাব থাকলেও মোহনবাগানকে বেছে নেওয়ার কারণ হল ঐতিহ্য এবং সাফল্যের নিরিখে এটাই দেশের সেরা ক্লাব। এশিয় পর্যায়েও মোহনবাগানের নাম সবাই জানে। এখনও পর্যন্ত যে সম্মান এবং সাফল্যই ফুটবলার জীবনে পেয়ে থাকি না কেন, কলকাতার ক্লাব মোহনবাগানে না খেললে আমার ফুটবল জীবনই অসম্পূর্ণ থেকে যেত। তাই প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাতে আমি সাড়া দিই। সবুজ মেরুন সমর্থকদের ক্লাবের প্রতি যে আবেগ এবং ভালোবাসা দেখেছি, সেটা ভারতের আর কোনও ক্লাবে দেখিনি। এবারও তারা অনেক শক্তিশালী দল গড়েছে। আমি নিজে যে পজিশনে খেলি, সেখানে মনবীর এবং লিস্টনের মতো তারকা ফুটবলাররা আছে। তাদের সঙ্গে লড়ে আমায় প্রথম একাদশে জায়গা পাকা করতে হবে। সুস্থ পেশাদার প্রতিযোগিতা এবং পারফরম্যান্স দেখিয়ে দলে জায়গা করে নেওয়ার মধ্যে একটা তৃপ্তি আছে। তার ফলে, পারফরম্যান্সের উন্নতি হয়। আমি চেষ্টা করব, নিজের সেরাটা দেওয়্যার জন্য। এখানে আমার জাতীয় দলেরও প্রচুর সতীর্থ আছে। তাদের সঙ্গে খেলব, এটাও আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।“
মাঠ কাঁপাবেন ছাংতে
তাঁর কথায়, “কলকাতায় কখনও না খেললেও কলকাতার ডার্বি নিয়ে আমি বরাবরই খুব আগ্রহী। ছোটবেলা থেকেই আমি ডার্বি ফলো করি। প্রায় সব ডার্বিই দেখেছি টিভিতে। আসাধারণ একটা পরিবেশ থাকে মাঠে। যা বিশ্ব ফুটবলে দেখে আমরা অভ্যস্ত। মাঠ ভর্তি সমর্থকের সামনে সেই ডার্বি খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। এটা শুধু এশিয়ার নয়, বিশ্ব ক্লাব ফুটবলের একটা সেরা ম্যাচ। কলকাতা ডার্বি ভারতীয় ফুটবলের আইকনিক ম্যাচ। সেখানে এবার খেলব এটা ভেবেই আমি রোমাঞ্চিত। সবুজ মেরুন সমর্থকদের এটাই বলব যে, শুধু এই ম্যাচটা জেতার জন্য আমি জীবন বাজি রাখতে প্রস্তুত। যা দল হয়েছে তাতে শুধু ডার্বি নয়, সব ট্রফিই আমরা জিততে পারি।“
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।