হ্যামিলন্টনে লড়ছে নিউজিল্যান্ড। এদিন তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ভারত এর আগে দুটি টি-২০ ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে রয়েছে। এদিনের ম্যাচ জিতলেই সিরিজে বিরাট কোহলি ব্রিগেডের ঝুলিতে চলে আসবে। এই মুহূ্র্তে খেলার যা খবর তাতে হার বাঁচানোর চেষ্টায় রয়েছে নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ ওভার পূর্ণ হওয়ার পথে। নিউজিল্যান্ডের রান ৮০-র কাছে। হাতে উইকেট রয়েছে ৮ উইকেট। বাকি ১০ ওভারে ১০ উপরের গড় করে প্রতি ওভারে রান তুলতে হবে কিউয়িদের। 

এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। শুরু থেকেই রোহিত শর্মার মারমুখি মেজাজের ব্যাটিং-এ ছত্রাখার হয়ে যায় কিউয়ি বোলিং লাইন আপ। সঙ্গে যোগ্য সহায়তা করেন কে এল রাহুল। তিনি দ্রুত ১৯ বলে ২৭ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ভারতের স্কোর তখন ৮৯। এবং ম্যাচের বয়স ৮.৯ ওভার। রোহিশ শর্মা এরমধ্যেই অর্ধশতরানের গণ্ডী পেরিয়ে যান। ৪০ বলে ৬৫ রান করে যখন হিটম্যান প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তখন ভারতের রান ৯৪। ওভার ১০.৪। এর দুই বল পরেই আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন শিবম দুবে। তিনি ৭ বলে মাত্র ৩ রান করতে সমর্থ হন। এরপর ভারতীয় ব্যাটিং-এর হাল ধরেন বিরাট কোহলি। তাঁকে সঙ্গ দেন শ্রেয়স আইয়ার। ১৬ বলে ১৭ রান করে আউট হয়ে যান শ্রেয়স। বিরাট কোহলি ১৮.৫ ওভারে আউট হয়ে যান। তিনি ২৭ বলে ৩৮ রান করেন। কে এল রাহুল ও রোহিত শর্মা যেভাবে ভারতীয় ইনিংসকে একটা গতি দিয়েছিলেন তা পরের দিকে বজায় থাকেনি। কারণ, বাকি ব্যাটসম্যানদের বল নষ্ট। যে অভিযোগ থেকে বাঁচতে পারেন না শিবম দুবে থেকে শুরু করে শ্রেয়স আইয়ার। শেষ দিকে মণীশ পাণ্ডে ও রবীন্দ্র জাদেজা দ্রুত কিছু রান তুলে ভারতীয় স্কোরকে ১৭৯ রানের নিয়ে যান। 

নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সফল বোলার এইচ কে বেনেট। তিনি ৪ ওভারে ৫৪ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। তবে, রান দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কৃপণ বোলার ছিলেন টিম সাউদি। ৪ ওভারে ৩৯ রান দেন। তবে, একটি উইকেটও তিনি পাননি। এছাড়া নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে স্যান্টনার গ্র্যান্ডহোমে ১টি করে উইকেট ঝুলিতে পোরেন। কিউয়ি স্পিনার সোধীও ৪ ওভার বল করে মাত্র ২৩ রান দেয়। তাঁর বোলিং ভারতীয় ব্যাটিং-কে আক্রমণের হাত থেকে বেঁধে রেখেছিল। তা সোধীর ইকনমি রেট দেখেই স্পষ্ট।