Footballer Ravinder Singh: ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগে (Indian Football League) নামধারী এফসি-র (Namdhari FC) ফুটবলার রবিন্দর সিংয়ের প্রয়াণে ভারতীয় ফুটবল মহলে শোকের ছায়া। ২৫ বছর বয়সি এই ডিফেন্ডার পাঞ্জাবে (Punjab) স্থানীয় এক টুর্নামেন্টে খেলার সময় হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

DID YOU
KNOW
?
বারবার ফুটবলারের মৃত্যু
ফুটবল খেলার সময় সংঘর্ষে বা অসুস্থ হয়ে পড়ে বিভিন্ন দেশে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের মৃত্যু হয়েছে।

Demise of Footballer Ravinder Singh: ভারতীয় ফুটবলে দুই দশকের ব্যবধানে ফের ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রের (Cristiano Júnior) মর্মান্তিক পরিণতির পুনরাবৃত্তি। এবার ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগে (Indian Football League) নামধারী এফসি-র (Namdhari FC) ফুটবলার রবিন্দর সিংয়েরও একইরকম পরিণতি হল। ২৫ বছর বয়সি এই ডিফেন্ডার পাঞ্জাবের (Punjab) নওয়ানশাহর জেলার (Nawanshahr District) বাছুরি গ্রামে (Bachhauri Village) স্থানীয় এক টুর্নামেন্টে খেলছিলেন রবিন্দর। সেই সময়ই তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তাঁকে স্থানীয় এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা এই ফুটবলারকে মৃত ঘোষণা করেন। একজন উদীয়মান ফুটবলার এভাবে প্রাণ হারানোয় ভারতীয় ফুটবল মহলে শোকের ছায়া। বিভিন্ন ক্লাবের পক্ষ থেকে শোকপ্রকাশ করা হচ্ছে। অনেক ফুটবলারও শোকপ্রকাশ করছেন।

গ্রামেই রবিন্দরের শেষকৃত্য

রবিন্দরের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। এই ফুটবলারের ভাই ভূপিন্দর সিং শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছেন। তাঁর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বন্ধু-বান্ধব, সতীর্থ ফুটবলাররা ছিলেন। নামধারী এফসি-র পক্ষ থেকেও শোকপ্রকাশ করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগের ম্যাচগুলি শুরু হওয়ার আগে শোকপ্রকাশ করার কথা জানানো হয়েছে।

মাঠে বারবার মৃত্যু

ফুটবল খেলার সময় বিপক্ষ দলের ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষে বা অসুস্থ হয়ে পড়ে একাধিক ফুটবলারের মৃত্যু হয়েছে। ন'য়ের দশকের গোড়ায় বাংলার ফুটবলার সঞ্জীব দত্তর মৃত্যু হয়। ২০০৪ সালের ৫ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে (Sree Kanteerava Stadium) ফেডারেশন কাপ ফাইনালে মোহনবাগানের (Mohun Bagan) গোলকিপার সুব্রত পালের (Subrata Paul) সঙ্গে সংঘর্ষে মাঠে লুটিয়ে পড়েন ডেম্পো স্পোর্টস ক্লাবের (Dempo Sports Club) ব্রাজিলিয়ান (Brazilian) স্ট্রাইকার জুনিয়র। তিনি গোল করলেও, আর জ্ঞান ফেরেনি। মাঠেই চিকিৎসা শুরু করার পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এবার অবশ্য রবিন্দরের সঙ্গে কারও সংঘর্ষ হয়নি। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ার পর প্রয়াত হন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।