East Bengal: থেকে যেও কোচ, বার্তা দিচ্ছেন লাল হলুদ জনতা। যেন লাল হলুদ তাঁবুতে নেমে এল অকাল বসন্ত। নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক জয়ের সেলিব্রেশন যেন রাজকীয় ভঙ্গিতেই। দীর্ঘ ২২ বছর পর, জাতীয় স্তরের লিগ প্রতিযোগিতায় নজরকাড়া সাফল্য। আইএসএল ট্রফি জিতল ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার, ক্লাবের মাঠে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সমর্থকদের জন্য ফ্রি-এন্ট্রির ব্যবস্থা ছিল। 

East Bengal: লেসলি ক্লাডিয়াস সরণী দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের দিকে যেতে যেতেই চোখ পড়ছিল সেই মানুষগুলোর দিকে। ময়দানকে ঘিরেই যাদের দিনযাপন। কেউ নিয়ে বসেছেন লাল হলুদ স্কার্ফ, কেউ আবার বিক্রি করছেন চ্যাম্পিয়ন লেখা জার্সি, লাল হলুদ পতাকা এবং আরও অনেক কিছুই। আর ইস্টবেঙ্গল (east bengal) তাঁবুতে তখন চলছে লাল হলুদ গর্জন। গ্যালারি জুড়ে চরম উন্মাদনা, উড়ছে স্মোক বোম্ব। সঙ্গে অবশ্যই স্লোগানে মুখর ইস্টবেঙ্গল ক্লাব (east bengal fc)। সমর্থকদের মুখে শুধু একটাই কথা, “স্টে অস্কার।"

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

Scroll to load tweet…

থেকে যেও কোচ, বার্তা দিচ্ছেন লাল হলুদ জনতা। যেন লাল হলুদ তাঁবুতে নেমে এল অকাল বসন্ত। নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক জয়ের সেলিব্রেশন যেন রাজকীয় ভঙ্গিতেই। দীর্ঘ ২২ বছর পর, জাতীয় স্তরের লিগ প্রতিযোগিতায় নজরকাড়া সাফল্য। আইএসএল ট্রফি জিতল ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার, ক্লাবের মাঠে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সমর্থকদের জন্য ফ্রি-এন্ট্রির ব্যবস্থা ছিল। যেন লাল হলুদ জনসমুদ্র তৈরি হল। 

“স্টে অস্কার" ইস্টবেঙ্গল জনতার আবদার!

কাতারে কাতারে লাল হলুদ সমর্থক গ্যালারিতে জড়ো হন। গোটা ইস্টবেঙ্গল গ্যালারি জুড়ে তখন চিৎকার। পতাকা উত্তলনের সময় থেকেই সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। এরপর একে একে চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা মাঠে প্রবেশ করতেই সেই আনন্দ যেন আরও দ্বিগুণ বেড়ে যায়। এমনকি, ট্রফি হাতে বাঁধনহারা আনন্দে মেতে ওঠেন দলের ফুটবলাররাও। পিভি বিষ্ণু, আনোয়ার আলী, মহম্মদ রশিদ, মিগুয়েল এবং ইউসেফ এজ্জেজারিরা কার্যত, নাচতে শুরু করে দেন গানের তালে। 

Scroll to load tweet…

তবে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা ভেসে আসে গ্যালারি থেকে। গান,-স্লোগান এবং “জয় ইস্টবেঙ্গল"-এর মাঝেও বারংবার লাল হলুদ জনতার মুখে শোনা গেল “স্টে অস্কার।" আসলে তাঁর হাত ধরেই তো এই ইতিহাস রচনা। মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, সুভাষ ভৌমিক এবং তারপর অস্কার ব্রুজো। আজ একই সারিতে। দীর্ঘদিন ধরে লড়াই, একাধিকবার মন ভেঙে চূরমার হয়ে যাওয়া, ঘুরে দাঁড়িয়েও আবার ব্যর্থতা! সেই চেনা ছবিকেই এক লহমায় বদলে দিলেন স্প্যানিশ হেডস্যার অস্কার ব্রুজো। 

লাল হলুদে অকাল বসন্ত, এক হার না মানা হেডস্যারের লড়াই

লিগের মাঝপথে দল যখন কিছুটা খোঁড়াচ্ছে, তখনও তিনি হাল ছাড়েননি। এমনকি, মাঠের বাইরের সমালোচনাও হজম করেছেন এই মানুষটা। তবু একদল দামাল ছেলেকে নিয়ে লড়ে গেছেন। কখনোই পিছিয়ে আসেননি। বরং, সাংবাদিক সম্মেলনে এসে শুধু বলেছেন, “ফোকাস ঠিক রাখতে চাই।" হ্যাঁ, তিনি পেরেছেন। ফোকাস এবং লক্ষ্যে অবিচল থেকেই জয় ছিনিয়ে নিয়ে এসেছেন। লড়াইতে ফিরিয়ে এনেছেন ইস্টবেঙ্গলকে। প্রতিটা লাল হলুদ সমর্থকের স্বপ্নকে সত্যি করে তুলেছেন যিনি। সেই অস্কার ব্রুজো লাল হলুদকে এনে দিলেন প্রথম আইএসএল ট্রফি। তাই, তিনি নিজেও আবেগতাড়িত। 

Scroll to load tweet…

আর লাল হলুদ জনতা? ইস্টবেঙ্গল জনতা জানান দিল, তারা অস্কারকেই আবার চান। গ্যালারি বলে উঠল, “স্টে অস্কার", “জয় ইস্টবেঙ্গল।" তীব্র গরমও যেখানে হার মানল! লাল হলুদ তাঁবুতে নামল অকাল বসন্ত। বুঝিয়ে দিল, বাংলা ফুটবলের এই ইমোশনের পরাজয় নেই, আছে শুধু ঐতিহ্য। 

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।