Uruguay vs India Kolkata: প্রথমার্ধে লড়াই করেছে তাঁর দল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে অনেকগুলি গোলই হজম করতে হয়েছে তাদের। তবুও এতকিছুর মাঝে যে মাইলস্টোনটা আছে, যে চূড়ান্ত দামি এবং ভালোলাগার মুহূর্তটা আছে, সেটা হল ভারতের একটা গোল। দু-বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফুটবল দল উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ব্লু-টাইগার্সদের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন অনিরুদ্ধ থাপা।

Uruguay vs India Kolkata: প্রথমার্ধে লড়াই করেছে তাঁর দল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে অনেকগুলি গোলই হজম করতে হয়েছে তাদের। তবুও এতকিছুর মাঝে যে মাইলস্টোনটা আছে, যে চূড়ান্ত দামি এবং ভালোলাগার মুহূর্তটা আছে, সেটা হল ভারতের একটা গোল। দু-বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফুটবল দল উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ব্লু-টাইগার্সদের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন অনিরুদ্ধ থাপা। ম্যাচের পর তিনি অনেক বেশি আবেগতাড়িত। কলকাতার ঐতিহাসিক যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলল দু-বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দল উরুগুয়ে। ব্রাজিলের পর, আরও একটি ফিফা ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল শহরের বুকে (Uruguay Football Team)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচে বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মুখোমুখি হয় উরুগুয়ের জাতীয় ফুটবল দল বনাম ভারতীয় জাতীয় ফুটবল দল (Uruguay vs India Kolkata)। সেই ম্যাচেই কার্যত, যুবভারতীতে দাপুটে ফুটবল উপহার দিল উরুগুয়ে। কলকাতার এই স্মরণীয় ফিফা ম্যাচের ফলাফল দাঁড়াল ৬-১।

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের বিরুদ্ধে গোল! 

অর্থাৎ, একটি গোল রয়েছে ভারতের পক্ষেও। ম্যাচের ২২ মিনিটে, ভারতের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন অনিরুদ্ধ থাপা। যদিও সুযোগটি তৈরির নেপথ্যে অনেকটাই অবদান রয়েছে রায়ান উইলিয়ামসের। উরুগুয়ের বিরুদ্ধে সেই স্মরণীয় গোলের পর, নিজের আবেগকে ধরে রাখতে পারলেন না ভারতীয় ফুটবল দলের তারকা অনিরুদ্ধ থাপা। তাঁর কথায়, "আমার স্ত্রী বর্তমানে অন্তঃস্বত্ত্বা। কয়েকদিন আগেই এই সুখবরটা পেয়েছি। তাই এই গোল আমার কাছে অনেক অনেক বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আসলে এই গোলটা আমার সারাজীবন মনে থেকে যাবে। সত্যি কথা বলতে গেলে, আমরা দল হিসেবে তিনটি ম্যাচেই ভালো খেলার চেষ্টা করে গেছি। প্রতিনিয়ত উন্নতির কথা মাথায় রেখেছি। কখনোই রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলিনি। যথেষ্ট আক্রমণ এবং গোল করার চেষ্টা করেছি। মনে রাখবেন, এই চেষ্টাটাই কিন্তু অনেক বড় কথা। হ্যাঁ, আমরা হয়ত হেরে গেছি। কিন্তু কখনোই এমন মনে হয়নি যে, হাল ছেড়ে দিয়েছি। দলের প্রত্যেকে লড়াই করেছি। এটা অবশ্যই একটা ইতিবাচক দিক।”

অনিরুদ্ধ বলছেন, "সারাজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে"

অনিরুদ্ধ জানাচ্ছেন, ““মাত্র চারদিনের মধ্যে ব্রাজ়িল এবং উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ। একটু তো ক্লান্তি থাকবেই। কিন্তু সেটা একেবারেই অজুহাত হতে পারে না। তবে ওদের দেখে অনেককিছু শেখার আছে। এই অভিজ্ঞতাটাও জরুরি। এই ম্যাচ দুটো থেকে অনেককিছু শিখলাম। কখন কী ভাবে খেলতে হবে এবং কখন ঠিক গতি বাড়াতে হবে। আবার কখন ম্যাচকে স্লো করতে হবে। সেইসঙ্গে, কীভাবে প্রতিপক্ষের ভুলগুলোকে কাজে লাগিয়ে গোল করতে হবে। আমরা শুরতে ভালো খেলছিলাম। কিন্তু সামান্য অসতর্ক হতেই ওরা গোল পেয়ে যায়। এই ম্যাচ থেকে এই শিক্ষাগুলো নিয়েছি।"

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।