নিউজিল্যান্ড সফরের শুরুটা ৫-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ঐতিহাসিক জয় দিয়ে শুরু করেছিল টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু সফরের শেষ হল  লজ্জার হার দিয়ে। ওয়ান ডে সিরিজের পর টেস্ট  সিরিজেও হোয়াইট ওয়াশ কোহলি অ্যান্ড শাস্ত্রী কোম্পানি। ম্যাচ শেষে সাংবাদিক বৈঠকে সেই হতাশার কথা স্বীকার করলেন ভারত অধিনায়ক। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মেজাজও হারালেন ভিকে। 

আরও পড়ুনঃ ম্যাচে সুবিধাজনক জায়গায় বাংলা, ৩০ বছর পরে রঞ্জি জয়ের আশা হচ্ছে গাঢ়

আরও পড়ুনঃ টেস্ট সিরিজ খোয়ালো ভারত, কিউয়িদের দেশে হোয়াইট ওয়াশ হলেন কোহলিরা

ওয়েলিংটনে প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটে হারতে হয়েছিল ভারতীয় দলকে। প্রথম ম্যাচের শেষে সেই হারকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে চাননি বিরাট কোহলি। বলেছিলেন, একটি ম্যাচের হার দিয়ে সব কিছুর বিচার হয় না। দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াবে দল। কিন্তু ক্রাইস্টচার্চেও ভারতীয় দলের ব্যাটিং বিপর্যয় অব্যাহত থাকে। বোলাররা কিছুটা লড়াই দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। সাত উইকেটে ম্যাচ হারতে হয় টিম ইন্ডিয়াকে। রানের খরা অব্যাহত ক্যাপ্টেন কোহলির ব্যাটে। ম্যাচ হার ও একইসঙ্গে হোয়াইট ওয়াশের কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে কোনও অজুহাত দিতে চাননি বিরাট। যদিও দুটি ম্যাচেই টস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে জানিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। ব্যাটসম্যানদের ব্যার্থতা ও  কিউইদের বিরুদ্ধে তাদের কোনও গেম প্ল্যান কাজ করেনি বলেই এই হার বলে মন্তব্য করেন কোহলি। অপরদিকে, নিউজিল্যান্ড দল ঘরের মাঠে ব্যাটিং ও বোলিংয়ে দুরন্ত পারফরমেন্সের করেছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই জয় তাদের প্রাপ্য বলে মত বিরাটের।

 

সাংবাদিক বৈঠকে তাল কাটে যখন নিউজিল্যান্ডের এক সাংবাদিক দ্বিতীয় দিনে দর্শকদের সঙ্গে বিরাট কোহলির ঝামেলার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন। একদিকে ম্যাচ হারের হতাশা ও  একইসঙ্গে বিতর্কিত  প্রশ্ন শুনেই কার্যত মেজাজ হারান কোহলি। সাংবাদিকের উদ্দ্যেশ্যে বলেন "আপনার কী মনে হয়?" বলার আগে “আমি আপনাকে উত্তরটি জিজ্ঞাসা করছি। ঠিক কী ঘটেছে তা সন্ধান করুন ।  তারপরে  একটি ঠিকঠাক প্রশ্ন নিয়ে আসুন। অর্ধেক প্রশ্ন এবং অর্ধেক বিষয় নিয়ে আপনি এখানে আসতে পারবেন না।" এর আগেও একাধিকবার সংবাদ মাধ্যমের উপর চটেছেন ভারত অধিনায়ক। নিউজিল্যান্ডের ঘটনা তাতে নতুন  মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুনঃ ব্যাটিং ব্যর্থতার জেরে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে শোচনীয় পরিস্থিতিতে ভারত

সাংবাদিক বৈঠকের শেষে বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দলের অধিনায়ক জানান, এই হার থেকে আমরা শিক্ষা নেব। ড্রেসিংরুমে আলোচনা ও হারের কারণ বিশ্লেষণ হবে। আমরা আগামী সিরিজগুলিতে ভাল ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করব। আগামী ১২ মার্চ থেকে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওয়ান ডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ভারতীয় দল। এখন সেদিকেই পাখির চোখ কোহলি অ্যান্ড ব্রিগেডের।