Uttar Pradesh Crime: সামান্য রান্না নিয়ে ঝামেলা। রুমমেটকে খুনের অভিযোগ উঠল বছর ৪৫-এর এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তাও আবার দেশি মদের সঙ্গে বিলেতি মদ মিশিয়ে ককটেল বানিয়ে খাইয়ে বন্ধুকে খুনের অভিযোগ সুধীর শর্মা নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে….       

Uttar Pradesh Crime: সামান্য রান্না নিয়ে ঝামেলা। রুমমেটকে খুনের অভিযোগ উঠল বছর ৪৫-এর এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তাও আবার দেশি মদের সঙ্গে বিলেতি মদ মিশিয়ে ককটেল বানিয়ে খাইয়ে বন্ধুকে খুনের অভিযোগ সুধীর শর্মা নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে (Uttar Pradesh)। ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জানা গিয়েছে, গত ২১ মার্চ প্রথম বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ওই বাড়ির ভিতর থেকে পচা দুর্গন্ধ পান প্রতিবেশিরা। তারপর পুলিশে খবর দিতেই বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। ঘটনাস্থলে পৌঁছে খোদা থানার পুলিশ দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। এবং একটি পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতের নাম নেত্রাম শর্মা (৩২) তিনি ফারুখাবাদের বাসিন্দা।

ঘটনায় CCTV ফুটেজ খতিয়ে দেখা গিয়েছে, কিছু মাস ধরেই নেত্রাম শর্মা সুধীরের সঙ্গে গাজিয়াবাদের মধুবিহারের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকছিলেন। গত ১৭ মার্চ তাকে শেষবার বাড়ির বাইরে দেখা গিয়েছিল। এরপর দরজা ভিতর থেকেই বন্ধ করে রেখেছিল সুধীর। এরপর তাদের দুজনের কাউকেই বাড়ির বাইরে বেরতে না দেখায় সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। তারাই পুলিশকে খবর দিলে খুনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

পুলিশ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদের সময়, সুধীর স্বীকার করেছে যে রান্নার বিষয় নিয়ে বিবাদের জেরে সে নেত্রামকে খুন করেছে। নিহত নেত্রাম বাইরের খাবার অর্ডার করে খেতে পছন্দ করত, অন্যদিকে অভিযুক্ত সুধীর বাড়িতেই রান্না করত। সুধীরের দাবি, ঘরের মধ্যে রান্না করার কারণে অতিরিক্ত গরম লাগত, যা নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বাধত। গত ১৫ মার্চ, তাদের মধ্যে তীব্র বচসা হয়, সেই সময় নেত্রাম সুধীরকে অশ্রাব্য গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ।

জেরায় অভিযুক্ত পুলিশকে আরও জানায় যে, সে আগে শুনেছিল দুই ধরনের মদ মেশালে তা মারাত্মক হতে পারে। ১৬ মার্চ রাতে, সে নেত্রামকে দেশি ও বিদেশি মদ ককটেল বানিয়ে তাঁকে খাওয়ায়। জানা গিয়েছে, নেশার ঘোরে যখন নেত্রাম অজ্ঞান হয়ে যান, তখন সুধীর তাঁকে একটি কম্বল দিয়ে ঢেকে পালিয়ে যায়। পরে নেত্রামের মৃত্যু হলে ওই ভাড়াবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত সুধীর। তবে মদের সঙ্গে কোনও বিষাক্ত পদার্থ মেশানো হয়েছিল কিনা তা জানতে পুলিশ নিহতের ভিসেরা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠাবে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২৯ মার্চ অহল্যাবাই গেটের কাছ থেকে সুধীর শর্মাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩(১) (খুন) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।