যোগী সরকার ইউপি-র ১৪টি সরকারি হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম বসানোর জন্য ৯.৮০ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে। এর ফলে গ্রামীণ ও পিছিয়ে পড়া এলাকায় দ্রুত, সস্তা এবং উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যাবে এবং বড় শহরের হাসপাতালগুলির উপর চাপ কমবে।

লখনউ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশনায় উত্তরপ্রদেশ সরকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো শক্তিশালী করার জন্য একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার রাজ্যের ১৪টি সরকারি হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম বসানোর জন্য ৯.৮০ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো বিশেষ করে সেই জেলাগুলিতে স্বাস্থ্য সুবিধার উন্নতি করা, যেখানে আধুনিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার সরঞ্জামের অভাব রয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

১৪টি জেলার সরকারি হাসপাতালগুলির জন্য অনুমোদিত অর্থ

সরকার যে হাসপাতালগুলির জন্য অর্থ অনুমোদন করেছে, সেগুলি হলো:

  • রামসাগর মিশ্র সংযুক্ত চিকিৎসালয়, সাধামউ বিকেটি: ₹২.৭০ কোটি
  • জেলা মহিলা চিকিৎসালয়, বলরামপুর: ₹১.৫২ কোটি
  • জেলা চিকিৎসালয়, রায়বরেলি: ₹১.৫৬ কোটি
  • জেলা সংযুক্ত চিকিৎসালয়, মহারাজগঞ্জ: ₹১.১৬ কোটি
  • জেলা সংযুক্ত চিকিৎসালয়, বাগপত: ₹২৮.৫৫ লক্ষ
  • দিওয়ান শত্রুঘ্ন সিং সংযুক্ত চিকিৎসালয়, হামিরপুর: ₹৩.৩৫ লক্ষ
  • মহিলা চিকিৎসালয়, হারাইয়া (বস্তি): ₹৮.৬৮ লক্ষ
  • ডঃ ভীমরাও আম্বেদকর সংযুক্ত জেলা চিকিৎসালয়, ইটাওয়া: ₹৩৮.৯৬ লক্ষ

এই অর্থ আধুনিক মেশিন, ডায়াগনস্টিক সরঞ্জাম এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সুবিধা শক্তিশালী করার জন্য ব্যয় করা হবে।

আধুনিক সরঞ্জামের মাধ্যমে পরীক্ষা ও চিকিৎসা দ্রুত হবে

নতুন সুবিধার ফলে জেলা হাসপাতালগুলিতে সিটি স্ক্যান, এক্স-রে এবং উন্নত ডায়াগনস্টিক মেশিন পাওয়া যাবে। এর ফলে:

  • পরীক্ষার গতি বাড়বে
  • রোগীরা সস্তায় এবং সময়মতো চিকিৎসা পাবে
  • ক্যান্সার, হৃদরোগের মতো গুরুতর রোগ দ্রুত শনাক্ত করা যাবে
  • রেফারেলের সংখ্যা কমবে
  • বড় শহর, বিশেষ করে লখনউয়ের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালগুলির উপর চাপ কমবে

এই পদক্ষেপ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মান অনুযায়ী স্বাস্থ্য সুবিধার উন্নয়নেও সাহায্য করবে।

বিকশিত উত্তরপ্রদেশ-২০৪৭ লক্ষ্যের দিকে বড় পদক্ষেপ

এই সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের "বিকশিত উত্তরপ্রদেশ-২০৪৭" স্বাস্থ্য নীতির একটি অংশ। সরকারের লক্ষ্য হলো:

  • প্রতিটি জেলায় আধুনিক, প্রযুক্তি-সজ্জিত স্বাস্থ্য সুবিধা থাকা
  • গ্রামীণ এবং পিছিয়ে পড়া এলাকার মানুষ স্থানীয় স্তরে উন্নত ও সহজলভ্য চিকিৎসা পাবে
  • দরিদ্র, গ্রামীণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীদের বড় শহরে যেতে হবে না

সরকার মনে করে যে এই বিনিয়োগ রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাগুলিকে নতুন শক্তি দেবে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে।