বাঙালি মানেই কাজের ফাঁকে খানিক সময় করে নিয়ে বেরিয়ে পড়া চেনা-অচেনার উদ্দেশে। কখনও কাছে পিঠে, কখনও  কাছে পিঠে, কখনও আবার দূরে কোথাও। তবে কাছেকাছি ভ্রমণ কিংবা সপ্তাহের শেষে দুদিনের চেঞ্জ মানেই  কথায় দিঘা। পুরোনো দিঘা কিংবা নতুন দিঘা, দুটি জায়গার মধ্যে একটি বেছে নিয়ে থাকা। সেখান থেকে ঘুরতে  যাওয়া, তালিকাতে থাকে তালসারি, উদয়পুর, থাকে না বিচিত্রপুরের কোনও গল্প। 

এবার ছুটি কাটাতে একঘেয়ে দিঘা না বেড়িয়ে, দেখে আসুন বিচিত্রপুর। অনবদ্য এই জায়গার সৌন্দর্য। সম্প্রতি ওড়িশা থেকে তৈরি করা হয়েছে এই জায়গাকে। দিঘা থেকে এর দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার। হালকা গাছপালা ঝোপের মাঝে পাখির কলতান, সামনেই সমুদ্র, সব মিলিয়ে এক মনোরম পরিবেশ। তবে এই দ্বীপ দেখতে গেলে নিজের সময়  সময় তম আসলে হবে না, আসতে হবে জোয়ার ভাটা দেখে। কারণ দিনে কেবল মাত্র ছয় ঘণ্টাই জলের ওপর থাকে এই দ্বীপ। 

কীভাবে যাবেনঃ দিঘাগামী যে কোনও ট্রেন ধরে নিয়ে দিঘা পৌঁচ্ছে যাওয়া। সেখান থেকেই গাড়িতে করে চন্দনেশ্বরের মন্দিরের পাশ দিয়ে যেতে হবে এই অঞ্চলে। সেখানেই দেখা মিলবে ম্যানগ্রোভ অরন্যের। দেখা মিলবে কাঁকড়াও। 

খরচঃ দিঘাতে থাকার জন্য যে নির্দিষ্ট খরচ বরাদ্দ থাকে তাই থাকবে। সঙ্গে কেবল যুক্ত হবে ১২০০ টাকা। কারণ বিচিত্রপুরের এই দ্বীপে যাওয়ার জন্য স্পিড বোর্ট ভাড়া করতে হয়। যার জন্য দিতে হয় এই অর্থ।