চিন সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত একটি হ্যাকিং সংস্থা মার্কিন বায়োটেক সংস্থারঅধীনস্ত মডার্নার বহু মূল্যবান নথি চুরি করার জন্য হত বছর গোড়ার দিকে আড়ি পেতেছিল। মার্কিন এই সংস্থাটি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের সঙ্গ যুক্ত রয়েছে। আর এই দাবি করেছেন মার্কিন এক নিরাপত্তা আধিকারিক। 

গত সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ দুই চিনা নাগররিক আমেরিকাতে গুপ্তচরবৃত্তি করছিল বলে জানিয়েছেন। যারমধ্যে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য  চিকিৎসা গবেষণায় সংক্রান্ত কাজে একজন রত ছিলেন বলেও জানান হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টার্গেটে এখনও পর্যন্ত রয়েছেন তিন জন। অভিযোগে বলা হয়েছে ম্যাসাচুসেটস বায়োটেক ফার্মের কম্পিউটার নেটওয়ার্কে  চিনা হ্যাকাররা আড়ি পাতছে। আর সেখান থেকে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক সংক্রান্ত খোঁজখবরও নিচ্ছে। গত জানুয়ারি মাসেই এই অভিযোগ উঠেছে। মডার্না সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে জানুয়ারিতেই তারা এফবিআইসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। হ্যাকিং গোষ্ঠী সম্পর্কিত তথ্যই সরবরাহ করেছিল। সাইমনসিকিউটি বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে  পুরো বিষয়টি তাঁরা খতিয়ে দেখছেন। বেশ কয়েকটি দুর্বল পাবলিক ওয়েবসাইটগুলিকেও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

রাজস্থানে বিধায়কের দাম ২৫ লক্ষ টাকা, হর্সট্রেডিং-এর অভিযোগ করেও পাইলটদের ফিরতে আর্জি গেহলটের ...

করোনা প্রতিরোধ ব্রিটেনের ইম্পেরিয়াল প্রতিষেধকেও প্রাথমিক সাফল্য, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন বলেই দাবি ... 

তবে আগে থেকেই মডার্নার সংস্থায় যেহেতু সাইবার হানার হুমকি ছিল, তাই প্রথম থেকেই মূল্যবান নথি সম্পর্কি রীতিমত যত্নবান ছিল এই সংস্থাটি। তবে এই মুহূর্তে মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থা ও মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানব পরিষেবা বিভাগ চিনা হ্যাকারদের দ্বারা পরিচালিত সংস্থাগুলির পরিচয় প্রকাশ করবে না বলেই জানিয়েছেন। 

করোনা সংক্রমণ রুখতে 'হার্ড ইমিউনিটি' সম্ভব নয় এই দেশে, ভবিষ্যতের জন্য তোলা রয়েছে সেই অস্ত্র ...

গত জুলাইয়ের তথ্য অনুযায়ী দুই চিনা হ্যাকার লি ও দং নামে দুই চিনা হ্যাকার বেশ কয়েক বছর ধরেই মার্কিন গোয়েন্দা দফতরের কাজ কর্মের ওপর আড়ি পাতছিল। পাশাপাশি করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নথির দিকেই তাঁদের নজর ছিল। প্রসিকিউটাররা জানিয়েছেন লি ও দং চিনের রাজ্য সুরক্ষা মন্ত্রকের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছিল। লি-র সঙ্গে একটি ডিজিটাল মাধ্যমেরও শক্তপোক্ত সম্পর্ক ছিল। 

যদিও চিন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পাশাপাশি জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ চিনের দিকে নজর দিচ্ছ। কিন্তু চিন এই জাতীয় কার্যকলাপের তীব্র বিরোধী।