আমেরিকার হাসপাতালে বৈষম্যমূলক আচরণ  কৃষ্ণাঙ্গ চিকিৎসকের অভিযোগ  ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট  নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি    

জীবনের একদম শেষ প্রান্তে এসে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শুয়ে নিজের দুঃখের কথা জানিয়ে গেলেন মার্কিনি কৃষ্ণাঙ্গ চিকিৎসক। একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন আমেরিকার বর্ণ বৈষম্য নিয়ে। তিনি ৫৮ বছরের সুসান মুর। ইন্ডিয়ানাপোলিসের নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। তাঁর কথায় একজন ড্রাগ অ্যাডিক্ট রোগীর থেকেই খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে তাঁর সঙ্গে। দায়িত্বে থাকা শেতাঙ্গ চিকিৎসক তাঁকে ওষুধ দিতে অস্বীকার করেছিলেন। মৃত্যুর আগে যখন তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে আসছিল, তখন তিনি প্রবল কষ্ট নিয়েই তাঁর সঙ্গে হয়ে চলা বঞ্চনার কথা রেকর্ড করেছিলেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

করোনার থাবা থেকে রক্ষা পেল না দাউদের পরিবার, করাচিতে প্রাণ গেল ভাইয়ের ছেলের ...

এখন থেকেই সতর্ক হন, ছাড়পত্রের আগেই করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে সক্রিয় অসাধু চক্র ...

সুসান মুর যে ভিডিওটি রেকর্ড করেছিলেন সেখানে তিনি বলেছেন, হাসপাতালের শ্বেতাঙ্গ চিকিৎসাক ও নার্সরা তাঁর সঙ্গে যে ব্যবহার করেছে তাতে তিনি রীতিমত বিধ্বস্ত। মাদকাসক্ত রোগীর মতই ব্যবহার করা হয়েছিল তাঁর সঙ্গে। তিনি বলেছেন তিনি একজন চিকিৎসক হওয়া সত্ত্বেও তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি দৃড়তার সঙ্গে বলেছেন তিনি যদি শ্বেতাঙ্গ হতেন তাহলে তাঁকে এই চরম পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হত না। গত ৪ ডিসেম্বর ভিডিওটি রেকর্ড করেন তিনি। চলতি সপ্তাহে তিনি মারা যান। কিন্তু তাঁর রেকর্ড করা ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষ তাঁর ভিডিওটি দেখেছেন। 

মুরকে নিয়ে কোনও মন্তব্য় করতে রাজি হয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে তাঁর আত্মীয়রা জানিয়েছেন, সোশ্য়াল মিডিয়ায় তাঁর বার্তা ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর চিকিৎসায় যত্ন নিতে শুরু করেছিল। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। ভিডিওটির একটি অংশ দেখা যাচ্ছে প্রবল শ্বাস কষ্ট নিয়েই মুর বলছেন তাঁর সামনে কান্না ছাড়া আর অন্য কোনও পথে খোলা নেই। ঘাঁড় আর মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে ওষুধ পর্যন্ত দিতে অনীহা বোধ করছেন। সূত্রের খবর হাসপাতালের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে জাতিগত বৈষম্য হ্রাস করতে তারা দৃড় প্রতিজ্ঞ। সকল রোগীর যত্ন নেওয়ার ওপরেই তারা গুরুত্ব দেয়। বর্ণবিরোধী কোনও কার্যকলাপ সেখানে হয় না।