বঙ্গে ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে অনেকদিনই। তবে দিনক্ষণ অর্থাৎ ভোটের সূচি এখনও ঘোষণা করা হয়নি। অভূতপূর্বভাবে তার আগেই, শনিবার, রাজ্যে এসে গেল ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কাশ্মীর থেকে এক বিশেষ ট্রেনে এদিন রাজ্যে এসে পৌঁছান কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। রেলপথে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে নামেন তাঁরা। অন্যদিকে এদিনই বীরভূম জেলায় রুটমার্চ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

জানা গিয়েছে, শুধু বীরভূম জেলার জন্যই বরাদ্দ করা হয়েছে ৫ কোম্পানি সিআরপিএফ। আগেই এই জেলায় ২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মজুত ছিল, এদিন আরও ১ কোম্পানি পাঠানো হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই বাকি ২ কোম্পানি এসে যাবে। এদিন অনুব্রত মন্ডলের খাস তালুকে তাদের রুট মার্চও করতে দেখা যায়। এছাড়া এদিন দুর্গাপুরে ২ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১ কোম্পানি, বর্ধমানে ১ কোম্পানি, ডানকুনিতে ৩ কোম্পানি এবং কলকাতায় ৪ কোম্পানি সিআরপিএফ বাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে। এর আগে কখনও নির্বাচনের এত আগে থেকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আসতে দেখা যায়নি।

এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেছেন, এই বিষয়ে তাঁরা আতঙ্কিত নন। আইন মেনে রাজ্যে কখন কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে এটা তাঁদের চর্চার বিষয়ও নয়। অন্যদিকে কংগ্রেস সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের উপর নির্বাচন কমিশনের আস্থা নেই বলেই, এত আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির হাল অত্যন্ত খারাপ বলেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আনতে হয়েছে মেনে নিয়েও, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী প্রশ্ন তুলেছেন বাহিনীর উদ্দেশ্য নিয়ে। তাঁর মতে এই জওয়ানদের পাঠানো হচ্ছে বিজেপি নেতাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য।