কোকেনকাণ্ডে আরও ২ জনকে গ্রেফতার কলকাতা পুলিশ। ধৃতদের নাম ফারহান আহমেদ এবংদাউম আখতার। অভিযোগ,   মাদক সরবারহকারী এরা দুজনেই এই কোকেনকাণ্ডে যুক্ত রয়েছে।  এদের কাছে একটি প্লাস্টিক পাউচের ভিতর ১০ গ্রাম কোকেন উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃত অমৃতাকে জেরা করেই এই দুই যুবকের হদিষ পেয়েছে তদন্তকারীরা।

আরও পড়ুন, কয়লাকাণ্ডে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা লালার, আজই শুনানির সম্ভাবনা 

 

 

আরও পড়ুন, 'ভুল মন্ত্র পাঠ করেছেন', মমতার মনোনয়ন পেশের প্রাক্কালে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর  


 সোমবার কোকেনকাণ্ডে গ্রফতার করা হয় অমৃতা সিংকে। পুলিশের দাবি, অমৃতাকে কাজে লাগিয়ে কারবারীদের কাছ থেকে মাদক নিত রাকেশ সিংহ। অমৃতাকে নিয়ে কোকেনকাণ্ডের মামলায় গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭। পয়লা মার্চেই সূরযকুমার শাহ নামের আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযোগ, সূরজের স্কুটিতে চেপেই অমৃত সিংহ নামে আরও এক অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। যে দিন মাদক-সহ বিজেপি নেত্রী পামেলা গোস্বামী ধরা পড়েন। তাঁর সঙ্গেই ছিলেন অমৃতা।

 

 

 


অপরদিকে, মঙ্গলবার  কোকেনকাণ্ডে আদালতে রাকেশ সিংকে আনার সময় চরম উত্তেজনা হয়। রাকেশ সমর্থক ও পুলিশ এর মধ্যে ঠেলা ঠেলি হয়েছে। আদালতে ঢোকার সময় আবার রাকেশ বলছেন, অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় ও মুরলীধর শর্মা তাঁকে ফাঁসিয়েছে। অমৃতা সিংয়ের গ্রেফতারি নিয়ে রাকেশ বলেন, পুরোটা পুলিশ এর সাজানো ঘটনা. সড়যন্ত্র করে সব কিছু রাকেশের বিরুদ্ধে সাজানো হচ্ছে। পামেলা বলেছে , রাকেশ জেলে পামেলাকে মারার চক্রান্ত করছে।  সেই নিয়ে বলে পুলিশ পামেলাকে মেরে ফেলতে পারে বলে পুলিশ প্রশাসনের দিকে অভিযোগের তীর রাকেশ সিংয়ের।