দ্বিতীয় দফা ভোটের দিনেই খুন-বোমাবাজি রাজ্যে। এদিন সাতসকালেই  রক্তাক্ত কেশপুর। কেশপুরের তৃণমূল কর্মী খুনে তড়িঘড়ি গ্রেফতার করা হয়েছে ৮ জনকে, জানালেন পুলিশ সুপার দিনেশ কুমার। ওদিকে বোমাবাজি নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায়।

 

আরও পড়ুন, প্রথম দফার ভোটের একই ছবি দ্বিতীয় দফার ভোটে, আগের রাতেই কেশপুরে খুন তৃণমূল কর্মী 

 

 


দ্বিতীয় দফা ভোটের কিছু ঘন্টা আগেই ফের রক্তাক্ত কেশপুর। এদিন কেশপুরের তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। যা নিয়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে কেশপুরে। তৃণমূলের অভিযোগের তীর গেরুয়া শিবিরের দিকে। যদিও অভিযোগ মেনে নেয়নি বিজোপি। কেশপুরের খুন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, 'গত তিন দিনে আমাদের তিন জন কর্মকর্তা খুন হয়েছে। খুন আমরা করিনা। খুনের রাজনীতি  ওরা করে। বিজেপি করে না।'  উল্লেখ্য প্রথম দফা নির্বাচনের আগেও রক্তাক্ত হয়েছিল কেশপুর। তখন এক বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনা সামনে উঠে এসেছিল।এদিন দ্বিতীয় দফা ভোটের দিনে সবচেয়ে হেভিওয়েট কেন্দ্র নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় বোমাবাজি। ভয়ে ভোট দিতে যেতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

আরও পড়ুন, Election Live Update- কেশপুরের তৃণমূল কর্মী খুনে ৮ গ্রেফতার, জানালেন পুলিশ সুপার 

 

 

অপরদিকে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের গোকুল নগরের ২৪৭, ২৪৮ নং বুথ এবং বিরুলিয়ার ১৩১ নং বুথ এজেন্টদের ভিতরে ঢুকতে দিচ্ছে না বিজেপি আশ্রিত গুন্ডারা বলে অভিযোগ। পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের ২৩৫ নং বুথে একাধিক ভোটারকে পদ্ম চিহ্নে ভোট দিতে প্রভাবিত করছে বিজেপি কর্মীরা, এতে সমর্থন করছে সিআরপিএফ, নেওয়া হয়নি কোনও পদক্ষেপ বলে অভিযোগ । বিজেপি কর্মীরা ভোটগ্রহনে বাধা দিচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না কেন্দ্রের চাঁদিবেনিয়া স্কুলে ২৪৭ নং বুথেও।