ভোটের আগে মতুয়াদের মন রাখতে বৃহস্পতিবার বাংলায় আসছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। আগের বার দিল্লি বিস্ফোরণের কারণে ৩০ জানুয়ারির বাংলা সফরকে পিছিয়ে দিতে হয়। এদিন সিএএ নিয়ে বড় ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন, ফের অশনি সঙ্কেত ঘাসফুল শিবিরে, মমতাকে রবিরঞ্জনের চিঠি ঘিরে দলবদলের ইঙ্গিত  

 

 

বুধবার রাতে অমিত শাহ বাংলাতেই একটি টুইট করেন। সেখানে লেখেন, 'আমি উৎসুক, আগামীকাল বাংলায় উপস্থিত হওয়ার জন্য। কোচবিহার থেকে পরিবর্তন যাত্রার চতুর্থ পর্যায় সূচিত হবে এবং ঠাকুরনগরে অনুষ্ঠিত হবে। পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আমি আমাদের সোশ্যাল মিডিায়ার সেস্বাসেবীদের সঙ্গেও আলাপচারিতায় অংশগ্রহন করব।' উল্লেখ্য, বাংলায় আসার আগে অমিত শাহের সাক্ষাত রয়েছে অসমের চিরং জেলার স্বঘোষিত ধর্মগুরু অনন্ত মহারাজের সঙ্গে। সেখানেই প্রাতরাশ এবং মধ্যাহ্নভোজন সারবেন তিনি। এরপর সেখানের কর্মসূচি সেরে দুপুর ৩ টে ১০ মিনিটে ঠাকুরনগর হেলিপ্যাডে নামবেন তিনি। দুপুর ৩ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ শাহ-র জনসভা ঠাকুরনগরে।

 

আরও পড়ুন, 'রথ তৈরি করে যাত্রা করছে BJP', পৌরাণিক প্রসঙ্গ তুলে তোপ মমতার 

 

 


প্রসঙ্গত , ডিসেম্বরে বাংলায় দুইদিনের সফরে আসলেও কর্মসূচিতে বাদ যায়  উত্তর ২৪ পরগণা। তাই এবার বাংলায়  এসে ঠাকুরনগরে মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে যাবেন শাহ।  এদিকে তা নিয়ে যথেষ্ট জল ঘোলাও হয়। ছন্দ কাটেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। মতুয়াদের নাগরিকত্বের প্রশ্নে কেন্দ্রের ভূমিকা আরও জোরদার করতে প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনগাঁয়া বিশাল সমাবেশ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের মন জয়ের চেষ্টা করেছেন।  'মতুয়ারা যে এদেশেরই নাগরিক এবং আলাদা করে তাঁদের আর কোনও পরিচয় পত্রের দরকার নেই', তা দৃঢ়ভাবে তাঁদের বুঝিয়ে এসেছেন মমতা। মতুয়াদের প্রতি এই মনভাবকে স্বাগত জানান আবার বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। আর তার পরেই জল ঘোলা হয়। তবে এবার সেই সবকিছুকে ঠিক করতে মতুয়াদের দেশে দুপুরেরই আসছেন অমিত শাহ।