আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি আবারও বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিজেপি সূত্রে খবর এই রাজ্যে মোট ২০টি নির্বাচনী জনসভা করবেন তিনি। আগামী ৭ মার্চ বিগ্রেডে অনুষ্ঠিত হবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা। সেই উপলক্ষ্যে ব্রিগেডের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, স্বপন দাশগুপ্তর মত প্রথম সারির বিজেপি নেতারা। নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেডের জনসভায় প্রবল জনসমাগম হবে বলেই আশা করেছেন বিজেপির রাজ্যস্তরের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে বিজেপি নেতাদের চিন্তা বাড়াচ্ছে মার্চের গরম। প্রবল গরমে সভা হবে। দলীয় কর্মী সমর্থকরা যাতে সভায় এসে অসুস্থ হয়ে না পড়েন তার জন্য বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব। 

বিজেপি নেতা মুকুল রায় বলেন, ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ব্রিগেডের মাঠে যে বৃহৎ সমাবেশ আছে তাতে সাধারণ মানুষের যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই দিকটা খেয়াল রাখা হচ্ছে। তার কারণ প্রচন্ড গরমের মধ্যে এই ব্রিগেড সমাবেশ করা হবে ।সেই কারণে ছাউনির ব্যবস্থা করা হতে পারে ।কারণ এর আগেও বিজেপি এই কাজ করেছে বলে তিনি জানিয়েছেন। অন্যদিকে তিনি জানিয়েছেন প্রয়োজনে এক বা একাধিক মঞ্চ হতে পারে। তবে মঞ্চের সাইজ কতটা হবে তা এখনো পর্যন্ত নির্দিষ্ট হয়নি ।

করোনার তৃতীয় ঢেউ আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে, আশঙ্কার কথা শোনাল CSIR ...

ভোট পেতে তৃণমূল মুচেলেখা লেখাচ্ছে, বিজেপির এই অভিযোগে কী বলল ঘাসফুল ...

অন্যদিকে কৈলাস বিজয়বর্গীয় তিনি এ দিন কংগ্রেসকে একহাত নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন কংগ্রেস পুরোপুরি হাসির খোরাকে পরিণত হয়েছে ।বামেদের ডাকা ব্রিগেডে কংগ্রেস নিজেকে যেভাবে উপস্থাপন করেছে তাতে হাসির খোরাকে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমবাংলায় বাম ও কংগ্রেস জোট করেছে কিন্তু অন্যদিকে কেরালাতে বাম কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে ।তবে পশ্চিমবাংলায় বাম ও কংগ্রেসের জোট কে তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ।পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন আগামী 2রা মেয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবাংলা থেকে বিদায় নেবেন। উত্তর দমদমের নিমতায় বিজেপি কর্মীর মাকে তৃণমূল কংগ্রেস মারধর করেছে বলে অভিযোগ তুলে সেই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন তিনি।  

স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন আগামী 7 ই মার্চ কলকাতা ব্রিগেডের মাঠে বিজেপির যে সমাবেশ হবে এবং সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ।সেই সমাবেশ বৃহৎ আকারের হবে। এবং সেখানে হবে পশ্চিম বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ সেখানে জমায়েত হবে এবং এত বড় সমাবেশ হবে যে পশ্চিমবাংলার মানুষ এর আগে এত বড় সভা কখনো দেখেনি বলে তিনি জানিয়েছেন।