পামেলাকাণ্ডে আদলতের পথে বিস্ফোরক রাকেশ সিং। এদিকে সোমবার সকালেই কোকেন কাণ্ডে তদন্তকারীদের জালে আরও একজন গ্রেফতার হয়েছে। যে কিনা গোটা ঘটনায় যুক্ত ছিল। ঘটনাস্থল থেকে পালাতে সাহায্য করেছিল। এদিকে সুরজ কুমার নামের ওই ধৃত ব্যক্তিকে আদালতে তোলার পাশাপাশি সোমবার রাকেশ সিংকেও আদালতে নিয়ে হয়। 

আরও পড়ুন, কয়লাকাণ্ডে কলকাতার ৮ ব্যবসায়ীর বাড়িতে ED-র হানা, ওদিকে সুপ্রিম কোর্টে লালার শুনানিও আজই 

 


পুলিশের গাড়ি থেকে নামাতেই ওপাশে দাঁড়িয়ে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে স্লোগান দিতে শুরু করে। তার মধ্যে  টানাহেঁচড়া করে পুলিশ রাকেশকে ভিতরে ঢুকিয়ে কলাপসিবল গেট দিয়ে দেয়। কিন্তু তখনও কিছু বলার অপেক্ষায় রাকেশও। শেষ অবধি ক্ষণিকের সুযোগে বলে ওঠে,' আমি সৎ আছি। আমকে কোনও ভাবে ফাঁসানো যাবেনা এবং আজকে মারা হয়েছে তার এমসি আছে। এইটা একটা খুব বড় ষড়যন্ত্র। মুরলীধর শর্মা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ষড়যন্ত্র মানুষের সামনে খুব তাড়াতাড়ি এটা প্রকাশ হবে।'

আরও পড়ুন, শাহের বঙ্গসফর অনিশ্চিত, বাংলায় ব্রিগেড করে মোদী ফিরলেই কি আসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

 

 

অপরদিকে, কোকেন কাণ্ডে ধরা পড়ার পর পামেলা গোস্বামী একজনের নাম বারবার বলেছেন। সেটা হচ্ছে রাকেশ সিং। পামেলা বলেছেন রাকেশ সিং তাকে ফাঁসিয়েছে এবং তাকে চক্রান্ত করে তার গাড়ির মধ্যে কোকেন রেখেছিল।  এবং তারপর পুলিশ রাকেশ সিং কে গ্রেপ্তার করে। এবং তারপর আলিপুর আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে। উল্লেখ্য, পামেলা গ্রেফতার হওয়ার পর বারবার দাবি করেছেন যে, তাঁর গাড়িতে রাকেশ সিংয়ের লোকই ওই মাদক রেখেছে। পরে পামেলার দাবি অনুযায়ী পুলিশ ওই ব্যক্তির খোঁজ চালালেও তাকে খুজে পাওয়া যায়নি। ধরে নেওয়া হচ্ছে যে, ওই ব্যক্তি আপাতত ফেরার। এদিকে রাকেশ সিংয়ে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ ঘেঁটে পুলিশ জানতে পেরেছে, ফেরার ওই ব্যাক্তিই পামেলা গ্রেফতার হওয়ার আগের দিন , ঘটনার দিন এবং পামেলা গ্রেফতারের পরে দিন রাকেশ সিংয়ের বাড়িতে গিয়েছে।