তাপস দাস, প্রতিনিধি- আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গোঘাট বিধানসভা কেন্দ্র। এটি তফশিলি জাতিদের জন্য সংরক্ষিত কেন্দ্র। 

১৯৬৭ সাল থেকে এই কেন্দ্রে ক্ষমতার স্বাদ পেয়েছে ফরোয়ার্ড ব্লক। ৭১-৭২ সালের ভোট ধর্তব্য নয়। ৭৭ সালের ভোট - যেবার ইন্দিরা সরকার উল্টে গেল, সেবার এখান থেকে জিতেছিলেন জনতা পার্টির মনুরাম রায়। ১৯৮২ থেকে আবার ফরোয়ার্ড ব্লক। ২০১১ সালে, যেবার রাজ্যে বাম সরকারে পতন হল, এমনকী সে বছরেও এই আসন দখলে রেখেছিল নেতাজী সুভাষ বোস প্রতিষ্ঠিত পার্টিটি। 

আরও পড়ুন- Election Live Update- আজ রাজ্য সফরে আসছেন নাড্ডা, ওদিকে মোদীর নির্দেশে ক্ষোভ মমতার.

২০১৬ সালে, মমতা সরকার পাঁচ বছর রাজত্ব করার পর, গোঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে আসে। ২০১১ সালে ফরোয়ার্ড ব্লক প্রার্থী জিতেছিলেন ৪ হাজারের বেশি ভোটে। ২০১৬ সালে তিনি হারেন তৃণমূল কংগ্রেসের মানস মুখোপাধ্যায়ের কাছে। 

সেই পরাজিত ফরোয়ার্ড ব্লক প্রার্থী বিশ্বনাথ কারক এবার বিজেপির প্রার্থী। ২০১৮ সালে দিলীপ ঘোষ তাঁর হাতে পদ্মপতাকা তুলে দেন। গত ভোটের সিংহ এবার তাই পদ্ম। 

২০০১ সালে ফরোয়ার্ড ব্লকের হয়ে যিনি জিতেছিলেন, সেই শিবপ্রসাদ মালিক এবার সংযুক্ত মোর্চার হয়ে দাঁড়িয়েছেন সিংহ চিহ্ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আবারও মানস মুখোপাধ্যায়। 

আরও পড়ুন- অনুব্রতর গড়েই তৃণমূলে ভাঙন, ঘাসফুল ছেড়ে নির্দল প্রতীকে লড়বেন জেলার প্রাক্তন সহসভাপতি

 

২০১১ সালের ভোটে এখানে বিজেপির ভাগ্যে জুটেছিল ৭ হাজারের অল্প বেশি ভোট। ২০১৬ সালের ভোটে বিজেপি পায় ১৯ হাজারেরও বেশি ভোট। 

গোঘাট বিধানসভা কেন্দ্র আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। গত লোকসভা ভোটে এই কেন্দ্রে লিড দিয়েছিল বিজেপি। ৮ হাজারেরও বেশি ভোটে এখানে এগিয়েছিলেন পদ্মপ্রার্থী। 

স্পষ্টতই এখানে শক্তি অনেকটা বাড়িয়ে নিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফরোয়ার্ড ব্লক থেকে আসা, একবারের বিধায়ক বিশ্বনাথ কারক ফের একবার এলাকার জনপ্রতিনিধি হয়ে উঠতে পারেন কিনা, তা স্থির হবে ৬ এপ্রিল। আর তা জানা যাবে ২ মে।