অর্থমন্ত্রীর পরিবহন নিয়ে বাজেট পেশ হতেই কিছু এসব লাগবে না উত্তরবঙ্গ থেকে সাফ জানালেন মমতা। কারণ তিনি আগেও করে দিয়েছেন এবং আবারও করে দেবেন তাই রাস্তায় টাকা দিয়ে বাংলার অন্য খাতে খরচ করলে কাজে দিত বলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

 

 

আরও পড়ুন, বাজেটে কী কী পেল পশ্চিমবঙ্গ, জানালেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ  

 

প্রসঙ্গত, সোমবার বেলা গড়াতেই পরিবহন নিয়ে  ইউনিয়ন বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী।  এদিন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ জানালেন,  ৬৭৫ কিমি হাইওয়ে হবে পশ্চিমবঙ্গে। কলকাতা এবং শিলিগুড়ি রাস্তা মেরিমতিও রয়েছে বাজেটে। এই বাজেট পেশ হতে চটে যান মমতা। তিনি এদিনে উত্তরবঙ্গে সফরে এসে বলেন,বাংলায়  রাস্তা বানানোর দরকার নেই। সব আমি করে দেব। এই সরকার কৃষকদের কিছু দেয়নি। এই টাকাটা কৃষকদের দাও। শুধু মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় কেন্দ্র। আমরা আসার পরে উত্তরকন্য়া করে দিয়েছি, কন্যাশ্রী করে দিয়েছি। বাংলার হাট করে দিয়েছি। জলপাইগুড়িতে বিশ্ব বাংলা স্টেডিয়াম করে দিয়েছি। কাজলডাঙা থেকে শুরু করে সাফারি মাঠ অবধি কাজ হয়েছে। কি হয়নি বলুন তো প্রশ্ন ছোড়েন মমতা। এরপর তিনি ভাষা প্রসঙ্গ তোলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ' রাজবংশী ভাষা সহ আরও একাধিক ভাষাকে স্বীকৃতি দিয়েছি। 

 

 

আরও পড়ুন, বাজেট নিয়ে ব্য়াপক খোঁচা, উত্তরবঙ্গ থেকে কেন্দ্রকে আক্রমণ মমতার 

অপরদিকে, 'ইন্ডিয়ার প্রথম পেপার লেস বাজেট' নিয়ে বলেন, এই দেখুন এটা তাহলে কোনও খাতায় খুঁজে পাবেন না। কোনও আইটিতে চুপচাপ সরিয়ে রাখবে কেন্দ্র। এরপর আরও বলেন সব তো বিক্রি করে দিয়েছে এরা। দেশটাকেই বিক্রি করে দিয়েছে। একটু ওদের বিক্রি করে দিন না বলে আক্রমণ করেন মমতা। এদিকে উত্তরবঙ্গে গিয়ে কেন্দ্র আক্রমণ করার অন্য কারণ নিয়ে গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই একাধিকবার শিরোনামে এসেছে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার গোষ্ঠী কোন্দলের খবর। উত্তরের জেলাগুলিতে তৃণমূলের গোষ্টীদ্বন্দ্ব এতটাই বেশি যে কয়েক মাসের ব্যবধানে তিনবার জেলা সভাপতি বদল করা হয়েছে আলিপুরদুয়ারে। তবে সাংগঠনিক বদল আনলেও  পুরোপুরি মেটানো যায়নি।লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের নিরিখে উত্তরের একমাত্র চোপড়া ও রাজগঞ্জ বিধানসভা বাদ দিয়ে বাকি ৫২টি আসনেই পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। বিধানসভা ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে হারানো জমি ফিরে পেতে স্থানীয়দের মন পাওয়ার পাশাপাশি দলীয় ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে মত রাজনৈতিক মহলের।