তাপস দাশঃ- ছিলেন পুলিশ, হলেন নেতা। হলেও হতে পারেন বিধায়ক। তেমনটা যদি হয়েই যায়, তাহলে এক রকম ক্ষমতা থেকে আরেক রকম ক্ষমতায় যেতে খুব বেশি সময় লাগবে না তাঁর। হুমায়ুন কবীর।

আরও পড়ুন, জ্বালানী মূল্যবৃদ্ধিতে অভিনব প্রতিবাদ, গরুর গাড়ি চেপে প্রচারে তৃনমূল প্রার্থী

 

এপ্রিলে অবসরের সময় ছিল তাঁর। দুমাস আগেই পদ থেকে ইস্তফা, তারপরেই দিন দশেকের মধ্যে মমতার মঞ্চে গিয়ে তৃণমূলে যোগদান। তার কয়েকদিন আগেই তাঁর স্ত্রী অনিন্দিতা তৃণমূল ভবনে গিয়ে দলে যোগদান করার পর হুমায়ুন বিষয়ে জল্পনা ছিল অবশ্য। দলে যোগ দেবার পরেই নিজের আদি বাড়ি ডেবরায় পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন। তার পর যখন প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়, দেখা যায় ডেবরা থেকেই প্রার্থী করা হয়েছে এই আইপিএস অফিসারকে। ডেবরা কেন্দ্রে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক আইপিএস, মমতার একসময়ের খাস বলে পরিচিত, ভারতী ঘোষ। দুই আইপিএসের লড়াইয়ে ডেবরা এখন পুলিশ ভূমি। 

 

আরও পড়ুন, চোখ রাঙানিতে ভয় পান না, পাল্টা জবাব দিতেও ছাড়ছেন না অভিষেক 

 

হুমায়ুনের বিরুদ্ধে তৃণমূল ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠেছিল কিছুদিন আগে। গোলি মারো সালোঁকে স্লোগান দেবার জন্য তিনি গ্রেফতার করেছিলেন এক বিজেপি কর্মীকে। উল্লেখ্য এই স্লোগানের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরকে গত লোকসভা নির্বাচনের সময়ে শো কজ করে বিজেপি। হুমায়ুন কবীর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেবার সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছিলেন, তিনি জননেত্রী হিসেবে সর্বদা মানুষের পাশে থেকেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০ বছরের শাসনকালে মোট ৯জন আইপিএস অফিসার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। তাঁদের প্রথম ছিলেন চৌধুরীমোহন জাটুয়া। শেষ সংযোজন হুমায়ুন কবীর।