শুক্রবার ২৯৩ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা মমতার। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে এসে মমতা বলেন, এবারের ভোটে ৫০ জন মহিলা প্রার্থী থাকবে। তবে এবার নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়বেন নিজেই, বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।  

আরও পড়ুন, '১৩ বছর পর ইউপিএ ধারা যোগের যুক্তি কোথায়', NIA-র আবেদন খারিজ করল হাইকোর্ট, স্বস্তিতে ছত্রধর  


এদিন দুপুরে মমতা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার সময় বললেন, 'নন্দীগ্রামে আমিই লড়ব'। প্রসঙ্গত ১০ জানুয়ারি নন্দীগ্রামের সভা মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, 'কেমন হত যদি আমি নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়াই' বলেই তিনি নিশ্চিত করেন যে একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে তিনি প্রার্থী হবেন। এও বলেন 'নন্দীগ্রাম বড় বোন এবং ভবানীপুর ছোট বোন।' ওদিকে তৃণমূল থেকে সদ্য বিজেপি যোগ দিয়েই মমতাকে তোপ দেগে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, দাঁড়াতে হবে শুধু নন্দীগ্রাম থেকেই। অন্য কোনও আসন থেকে দাঁড়ানো চলবে না। নন্দীগ্রামে তৃণমূল সুপ্রিমোকে ৫০ হাজার ভোটে হারানোর  চ্যালেঞ্জ ছোঁড়েন শুভেন্দু। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় ভোটের দিন ঘোষণা করেছে কমিশন। ভোটের নির্ঘন্ট অনুযায়ী ১ এপ্রিম ভোট নন্দীগ্রামে এবং ভবানীপুরে ২৬ এপ্রিল। তাই এবার 'দিদি'-র পাড়ায়- ভবানীপুরে তাঁর ছেড়ে দেওয়া আসনে দাঁড়াচ্ছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। 

আরও পড়ুন, 'ভোট না দিলে বিরোধীদের দেখে নেব', হুমকি দিয়ে আজ প্রার্থী ঘোষণার আগে পালটি তৃণমূল বিধায়কের 


অপরদিকে মমতা আরও বলেন, ৮০ ঊর্ধ্ব বয়সী বিধায়কদের কোভিড পরিস্থিতি বলে টিকিট দেবে না তৃণমূল। অমিত মিত্র, পূর্ণেন্দুবসু, সোনালী চক্রবর্তীর মতো যাঁদের বিধায়কের টিকিট দেওয়া যাচ্ছে না, তাঁদের বিধান পরিষদ গড়ে তার সদস্য করা হবে।  শুক্রবার প্রার্থী ঘোষণার সময় এমনটাই জানালেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। পাশপাশি শান্তিপূর্ণ ভোটের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। বহিরাগতদের বাংলায় কোনও স্থান হবে না বলেও জানিয়েছেন মমতা।