'মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি', মমতাকে নিশানা অগ্নিমিত্রা-মুকুলের-স্বপনের। স্ট্র্যান্ড রোডের অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল দেখতে এলেন বিজেপির শীর্ষ নের্তৃত্ব অগ্নিমাত্রা পাল, মুকুল রায়, স্বপন দাশগুপ্তরা। অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডকেও নির্বাচনী প্রচারের হাতিয়ার করেছে মমতা। 

আরও পড়ুন, অগ্নিকাণ্ডে কলকাতার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন গোটা দেশের অনলাইন রেল বুকিং পরিষেবা, জানুন বিস্তারিত 


প্রসঙ্গত, স্ট্র্যান্ড রোডের রেলের নিউ কয়লাঘাট বিল্ডিংএর আগুনের গ্রাসে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে চার জন দমকল কর্মী। একজন আরপিএফকর্মী ও একজন হেয়ারস্ট্রিট থানার পুলিশ কর্মী রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত এক জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে পৌছান দমকল কর্মী সুজিত বসু ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপুরণ দেওয়া হবে। শনিবার রাত সোওয়া ১১টা নাগাদ স্ট্র্যান্ড রোড এলাকায় যান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সেখানে গিয়ে তিনি ঘোষণা করেন মৃতদের পরিবার পিছু একজনকে সরকারি চাকরিও দেওয়া হবে। রাতেই ঘটনাস্থলে থেকে বেরিয়ে সোজা এসএসকেম হাসপাতালে পৌছে যান মুখ্যমন্ত্রী। 

আরও পড়ুন, স্ট্র্যান্ড রোডের ভয়াবহ আগুনের গ্রাসে ৯, শোকপ্রকাশ-আর্থিক সাহায্য বার্তা মোদীর 


এদিকে  স্ট্র্যান্ড রোডের অগ্নিকাণ্ডের ১৮ ঘন্টা পর ঘটনাস্থল দেখতে এসে বিজেপির শীর্ষ নের্তৃত্ব অগ্নিমাত্রা পাল, মুকুল রায়, স্বপন দাশগুপ্তরা তোপ দাগলেন মমতাকে। মমতাকে নিশানা করে বলেন, এটা নির্বাচনী প্রচারের জায়গা নয়। মুখ্যমন্ত্রী এখনও অন্যের জায়গা দেখছেন। গাঁফিলতি খুঁজছেন। তবে গাফিলতি নিশ্চয়ই ছিল, না হলে এত বড় মৃত্যু হতে পারে না। তবে এখন দোষ না দেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সময়।' পাশাপাশি অগ্নিমিত্রা পাল এদিন বলেছেন, আমি এখানে রাজনীতি করতে আসিনি। আগুনের জন্য ৯ টি প্রাণ গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, এটা ভাবা যায় না। চলতি বছরে এটা প্রথম অগ্নিকাণ্ড নয়, কিছুদিন আগে রাজারহাটে এবং উত্তর কলকাতাতেও আগুন লেগেছিল। কেন এই আগুনগুলি লাগছে, কেন প্রতিবারই দমকল এত দেরীতে পৌছাচ্ছে কেন দমকলে জল পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে না। কাল রাতে এসে মুখ্যমন্ত্রী মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করছেন, এগুলি কি মেনে নেওয়া যায়' বলে মমতাকে নিশানা করেন অগ্নিমিত্রা।  '