উত্তম দত্ত, চুচূড়া, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বঙ্গ সফর ঘিরে আবারও শুরু হয়ে গেল কাউন্টডাউন। দুসপ্তহারে ব্যবধানে আগামী ২২ ফেব্রুারি আবারও রাজ্যে আসছেন নকেন্দ্র মোদী। হুগলির ডানলপ ফুটবল গ্রাউন্ডে জনসভা করবেন তিনি। সেই জন্যই মঙ্গলবার গোটা এলাকা পরিদর্শন করে স্থানীয় প্রশাসন। হুগলির চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার  গৌরব শর্মা সহ কমিশনারেটের একঝাঁক পুলিস কর্তা । অন্যদিকে আই বি , আর পি এফ , সেন্ট্রাল আই বি র আধিকারিক রাও সঙ্গে ছিলেন।  বিজেপির রাজ্যে সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিং এর কাছ থেকে মাঠের কোথায় কি হবে তার সমস্ত খুঁটিনাটি বুঝে নেন স্পেশাল প্রটেক্শন গ্রুপের  এ আই জি দীপক কুমার শ্রীবাস্তব । পুর্ব রেলের এ ডি আর এম বিনোদ পাশওয়ান কেও এদিন মাঠে দেখা যায় । প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে যে মাঠে জনসভা হবে সেই মাঠের ই একপ্রান্তে হেলিপ্যাড তৈরি করা হবে । তিন চারটি হেলিকপ্টার যাতে নামতে পারে  সেরকম প্রসস্ত জায়গাই রাখা হবে । বাকি অংশে হবে জনসভা ।


প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী যেখানে জনসভা করবেন তার এক পাশে রয়েছে বন্ধ হয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী ডানলপ কারখানা । অন্যপাশে কিছু ভগ্ন মিল কোয়ার্টার । একসময় এই মাঠ ছিল সাহেব দের প্রিয় মাঠ । ডানলপ রাবার কারখানার যখন রমরমা অবস্থা সেই সময় এই ময়দানে ছিলো সব রকম খেলাধুলোর আয়োজন । ছিলো ক্লাবহাউস । ছিলো অডিটরিয়াম । শোনা যায় প্রিন্স চার্লস এসেছিলেন এই মাঠে । এখন সবই স্মৃতি হয়ে গেছে । অধিকাংশ কোয়ার্টার ভাঙ্গা পড়েছে । কিছু কোয়ার্টারে এখনও কিছু লোকজন আছেন । তাঁদের প্রত্যেকেই মোদী আসছেন শুনে রোমাঞ্চিত । তাঁদের আশা যদি এই কারখানা নিয়ে কিছু আশার কথা শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে । বিজেপির হুগলি জেলা সাংগঠনিক সভাপতি গৌতম চ্যাটার্জির দাবী প্রায় তিন লক্ষ কর্মীর জমায়েত এখানে হবে । এর মধ্যে প্রায় রোজই একবার করে সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন । জেলা পার্টি অফিসে নিজেদের মধ্যে সাংগঠনিক সভাও করা হয়েছে । "আগামী কয়েকদিন আমাদের নাওয়া খাওয়ার সময় থাকবে না । সমস্ত দলীয় কর্মীদের দায়িত্ব আমাদের এই মেগা জনসভা সফল করা । সেভাবেই আমরা পরিকল্পনা মাফিক এগোচ্ছি । " জানান রাজ্যে বিজেপি নেতা স্বপন পাল । 

প্যাংগং-এর পরেই কী দোপসাং, হটস্প্রিংএ নজর, ৪ নম্বর আঙুল থেকে দ্রুত গতিতে সরছে চিনা সেনা ..

কৃষক আন্দোলনের টুইট নিয়ে আবারও উত্তপ্ত রাজনীতি, ব্রিটিশ সাংসদকে খোলা চিঠি হাইকমিশনের ...

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা দখলের লক্ষ্য রীতিমত তৎপর বিজেপি। বাংলা দখলকেই পাখির চোখ করেছে দিল্লির গেরুয়া শিবিরের নেতারা। আর ভোট বাক্সে ভালো ফল করতে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও অমিত শাহ, জেপি নাড্ডার মত শীর্ষ স্থানীয় নেতারা একের পর এক বাংলায় আসছেন। একের পর এক জনসভায় দলীয় কর্মী ও অনুগামীদের উজ্জিবীত করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি চড়া সুরেই নিশানা করছেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে।