ডিসেম্বর শান্তিনিকেতনে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ঠিক মাস খানেক পরই ফের রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ। বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি নিয়ে আসছেন তিনি। এবারের সফরে রাজ্যের তিন জেলায় সফর করবেন তিনি। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বনগাঁয় মতুয়াদের সঙ্গে তাঁর আলোচনা এবং ডোমজুড়ে সভা। সেই ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তিনি এখন বেসুরো তাঁর তৃণমূল দলে।

আরও পড়ুন-'দাড়ি রেখে ভণ্ড হবে, সাধু নিশ্চয় হবে না', বীরভূমের সভা থেকে অনুব্রতর নিশানায় প্রধানমন্ত্রী

৩১ জানুয়ারি হাওড়ার ডোমজুড়ে সভা করবেন অমিত শাহ। সেখানে সভার পর, বাগদি পরিবারে গিয়ে মধ্যাহ্নভোজন সারবেন। এই অবস্থায় নতুন করে জল্পনা উস্কে দিল শুভেন্দু অধিকারীর করা একটি মন্তব্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় নন্দীগ্রামের প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্য়ায় বেসুরো ৩১ তারিখ বা ৩০ তারিখ কি করবে জানি না। রাজীব বন্দ্যোপাধ্য়ায় যদি চলে যায় তাহলে কী মুখ্যমন্ত্রী ডোমজুড়কে সেজো বোন বলবেন? উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষালও বেসুরো। প্রবীর দা যদি চলে যায় তাহলি কী বলবে, ছোট বোন উত্তরপাড়া।

আরও পড়ুন-ফের বাংলা সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মাসের শেষ দু'দিনে ঠাসা কর্মসূচি অমিত শাহর

শুভেন্দুর এই মন্তব্য ঘিরে জল্পপা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। কেননা, শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছাড়ায় সময় যে পথ অনুসরন করেছিলেন। কিছুটা একই পথ নিয়েছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও প্রবীর ঘোষাল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সফরে বেশ কয়েকজন তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কী সেই তালিকায় রয়েছেন রাজীব ও প্রবীর ঘোষাল? সেই সব প্রশ্নের উত্তর জানা যাবে অমিত শাহের দুটি সভা থেকেই।