বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক শনিবার সেই বৈঠকে থাকবেন দিলীপ ঘোষ ওই বৈঠকে যোগ দেবেন না বলে জানালেন সৌমিত্র খাঁ দলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন তিনি

সোনালী গুহ সহ বিজেপিতে যোগ দেওয়া অনেকেই ইতিমধ্যে তৃণমূলে ফেরার বার্তা দিয়েছেন । এরই মাঝে বিষ্ণুপুরে বিজেপির এক সাংগঠনিক বৈঠকে উপস্থিত না হওয়ার কথা জানিয়ে ও দলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে জল্পনা উসকে দিলেন সৌমিত্র খাঁ । বিষ্ণুপুরের ওই সাংগঠনিক বৈঠকে থাকার কথা রয়েছে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন- রাজ্যাভিষেক - তৃণমূলের নতুন জাতীয় সম্পাদক হলেন অভিষেক, গুরুদায়িত্ব সায়নীকেও

বৈঠকে যোগ না দেওয়ার কথা জানিয়ে সৌমিত্র খাঁ বলেন, লকডাউন চলছে । মিটিং-মিছিল বন্ধ রয়েছে । রাজ্য সরকারের সেই লকডাউনের সিদ্ধান্তকে মান্যতা দিয়েই বৈঠকে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন । এরপরই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয় । তার উপর তিনি দলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও ছেড়েছেন । প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি বিজেপি ছেড়ে 'ঘরে' ফিরতে চাইছেন । 

গত লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন সৌমিত্র । ভোটে দাঁড়িয়ে সাংসদও হন । তাঁর হয়ে জোরকদমে প্রচার চালিয়েছিলেন স্ত্রী সুজাতা । কিন্তু এবার বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি । স্ত্রী তৃণমূলে ফিরলেও সৌমিত্র ফেরেননি । কিন্তু হঠাৎ তাঁর এই পদক্ষেপে অন্য গন্ধ পেতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ । যদিও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়া নিয়ে সৌমিত্র বলেন, 'এরকম অনেক হোয়াসঅ্যাপ গ্রুপ থাকে । কখনও কখনও দু'একটা থেকে বেরিয়ে যেতে হয় ।' 

এই জল্পনার মাঝেই সৌমিত্র প্রতি বার্তা দিয়েছেন স্ত্রী সুজাতা । এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, "আমি প্রথম থেকেই বলছিলাম সৌমিত্র বিজেপি ছেড়ে দেওয়া উচিত । যে বিজেপি ঘর ভাঙায় সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না ।' 

এর আগে যুব মোর্চার জেলা সভাপতি নিয়োগ ঘিরে দিলীপ ঘোষ ও সৌমিত্র খাঁর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছিল । সেই সময় সৌমিত্রর নিয়োগ করা সব জেলা কমিটি ভেঙে দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ । তাঁর এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হয়ে সৌমিত্র জানিয়েছিলেন যে তিনি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতির পদ ছেড়ে দেবেন । যুব মোর্চার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েও বেরিয়ে গিয়েছিলেন । পরে অবশ্য ফিরে এসেছিলেন ।

এবার তাঁর এই পদক্ষেপ ফের একবার জল্পনা উসকে দিল ।