শুভেন্দু-রাজীবের যোগদানের পর বোঝাতে চাইছেন মুকুল রায়। তাহলে কি বিজেপিতে তাঁর গুরুত্ব নেই? পূর্ব বর্ধমানের কালনার এক জনসভা থেকে মুকুল রায় বলেন, ''এখন জায়গা ছেড়ে দেওয়ার পালা শুরু হয়েছে''। তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতারা বিজেপিতে যোগদানের পর এমন কেন বললেন মুকুল? তাঁর জায়গা কাকে দিতে চান তিনি? মুকুলের এই মন্তব্য ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

আরও পড়ুন-বাংলার ভোটের জন্যই কি CAA কার্যকরে সময়সীমা বাড়ল, ৯ জুলাই পর্যন্ত সময় পেয়েছে কেন্দ্র

বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। বাংলায় বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে বিজেপি নেতার এই মন্তব্য করে কী বোঝাতে চাইলেন। পূর্ব বর্ধমানের কালনা জনসভায় উপস্থিত ছিলেন মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারী। মুকুলের পর সেখানে অপর বক্তা ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সভায় দাঁড়িয়ে মুকুল রায় বলেন, ''এখন জায়গা ছেড়ে দেওয়ার পালা শুরু হয়েছে। আমি জায়গা ছেড়ে দিচ্ছি। জায়গা ছাড়াটাও একটা আর্ট। এটা শিখতে হয়। মুকুলের এই মন্তব্য ঘিরেই জল্পনা শুরু হয়েছে''।

আরও পড়ুন-'রাজ্য রাজনীতির প্রধান শক্তি অভিষেক, তাই আক্রমণ বিজেপির', শুভেন্দুর 'ভাইপো' কটাক্ষের জবাব পার্থর

বিধানসভা ভোটের আগে কী এমন হল? যে কারণে মুকুল রায়কে তাঁর জায়গা ছাড়তে হচ্ছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতির মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর আরও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য হল, প''রীক্ষাটা একশোয় দেব, যদি ৩০ বাদ দিয়ে দাও, তাহলে ৭০-এ ৫১ পেতে হবে। পূর্ব বর্ধামানের একাধিক নেতার নাম করে মুকুল বলেন, আমি জায়গা ছেড়ে দিচ্ছি। যাতে এঁরা মানুষের কাছে যেতে পারেন। আমার একটি পুত্র আছে, সেও দুবারের বিধায়ক। আমি যদি এখনও রাজনীতি করি, তাহলি ওংদের কী হবে''?