অমিত শাহ থেকে জেপি নাড্ডা। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা যত বারই বাংলা সফরে এসেছেন। ততবারই কৃষক, দলিত বা বাউল পরিবারে গিয়ে মধ্যাহ্নভোজন করেছিলেন। আলুভাজা, বেগুল ভাজা, রুটি সহ নানান পদের খাবার খেয়েছিলেন তাঁরা। এবার তাঁদের অনুসরন করে সেই পথেই হাঁটলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন করেন তিনি। আদব কায়দা ছিল সেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মতই।

আরও পড়ুন-গেরুয়া শিবিরেও এবার 'দাদার অনুগামী', বিজেপি প্রার্থীর নাম দিয়ে বাঁকুড়ায় পড়ল পোস্টার

কৃষি আইনের সমর্থনে মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে মিছিল ও পদযাত্রা করেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন দুপুরে নন্দীগ্রামে এক কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন করতে দেখা যায় তাঁকে। নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় কৃষক চিত্তরঞ্জন দাসের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজন সারেন তিনি। ওই নন্দীগ্রামের বিধায়ক ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপিতে যোগদানের আগে বিধায়ক পদ ছেড়েছেন। সেই বিধায়কহীন নন্দীগ্রামে সভা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেখান থেকেই নিজেকে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটপ্রার্থী ঘোষণা করেন মমতা। তারপর থেকেই নন্দীগ্রামের গুরুত্ব নতুন করে বেড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শুভেন্দুর কাছেও নন্দীগ্রাম প্রেস্টিচ ফাইট। তাই প্রজাতন্ত্র দিবসে অধিকাংশ কর্মসূচি নন্দীগ্রাম বা পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গায় করেন শুভেন্দু।

আরও পড়ুন-বোমা ফাটালেন 'বেসুরো' উত্তরপাড়ার বিধায়ক, দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে ছাড়লেন জেলা কোর কমিটি

ভবানীপুর বড়বোন, নন্দীগ্রামকে মেজোবোন বলে মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। বলেন, ''ভবানীপুর বড় বোন, নন্দীগ্রাম মেজো বোন। এবার সেজো বোন ডোমজুড়, ছোট বোন বালি হবে। আজ আবার প্রবীর বাবুও বেসুরো। এখন যে কত বোন হবে কে জানে। কটাক্ষ শুভেন্দুর। প্রসঙ্গত, দলের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করে ইস্তফা দিয়েছেন ডোমজুড়ে বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্য়ায়, বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। এই অবস্থায় দলের বিরুদ্ধে ক্ষোফ প্রকাশ করে হুগলি জেলার সব পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন উত্তরপাড়ার বিধায়ক''। এই নিয়ে মমতাকে তীব্র কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু।