নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ঠিক তার পরের দিন মেদিনীপুরে অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগদান করেন শুভেন্দু। সেখান থেকে তৃণমূলকে নিশানা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায় তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেন মমতা। এরপরই, শুভেন্দুকে বিশ্বাসঘাতক বলে কটাক্ষ করে তৃণমূল নেতৃত্ব। শুধু তাই নয়, নন্দীগ্রামে শুভেন্দু ফের দাঁড়ানোর চ্য়ালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় তৃণমূল।

আরও পড়ুন-'তৃণমূলের পায়ে শুভেন্দু-কাঁটা ফুটেছে', কাঁথির সভা থেকে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

আগামী সাত জানুয়ারি নন্দীগ্রামের তেখালিতে সভা করবেন মমতা। ওই জায়গায় গত ১০ নভেম্বর সভা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রাক্তন নেত্রীর এই সভা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কাঁথির সভা থেকে বলেন, ''৭ তারিখ নন্দীগ্রামে আসুন, ভাষণ দিন। আমি জানি আপনি আমার বিরুদ্ধে কী বলবেন। ৮ তারিখ আমি সভা করব। আপনার সব কথার উত্তর দেব''।  পাশাপাশি, তিনি আরও বলেন, ''আমি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ঠিক নিয়েছি। সেটা মানুষের এই ভিড়েই প্রমাণ দেয়। আমি এখানে দাঁড়িয়ে বলছি, আমি আর দিলীপ ধোষ মিলে দুই মেদিনীপুরে ৩৫টা আসন দখল নেব''। 

আরও পড়ুন-প্রথম শক্তি পরীক্ষায় 'ফুল মার্কস' শুভেন্দুর, নিজের গড়ে ভাসলেন জনজোয়ারে, অপরদিকে সাগর কাঁপালেন দিলীপ

তৃণমূল নেত্রীকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু আরও বলেন, ''এক দিকে বলছেন হাজার হাজার শুভেন্দু তৈরি করব। আর অন্য়দিকে, পুলিশ প্রশাসন দিয়ে শুভেন্দুর জায়গায় সভা করছেন। গণতন্ত্রে মানুষই শেষ কথা বলে। আপনার সভায় প্রশাসনের তরফে লোক আনার চেষ্টা হবে। আর আমার সভায় ভালবেসে আসবে''। কাঁথির সভা থেকে মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর।