তপশিলি জাতি-উপজাতি ইস্যুতে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। নজরে তপশিলি জাতি-উপজাতি ভোট। তাই হারানো জমি পুনঃরুদ্ধারে বৃহস্পতিবার একই মঞ্চে অভিষেক-মমতা।

আরও পড়ুন, জোড়াবাগানে নাবালিকাকে খুনের আগে যৌন নিগ্রহ-নৃশংস অত্যাচার, উদ্ধার ভাঙা দাঁত-ছুরি 

 

 

তিনি বলেছেন, এনসিআরবি এর তথ্য পরিসংখ্যান যদি আপনারা দেখেন, তাহলে বলবো ২০১৮ সালে তথ্যের নিরিখে তপসিলি জাতি এবং উপজাতির উপর ২৬ শতাংশ অত্যাচার বেড়েছে এই বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে। আমারা ধন্যবাদ দিই মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে এবং মা-মাটি-মানুষের সরকারকে। কেন না ২০১১ সালে সরকার প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পরে আমাদের বাংলায় হাথরাস, বলরামপুরের মতো গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। তার কারন বাংলার পাহারাদারের নাম-জন নেত্রী-দেশনেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।

 

 

আরও পড়ুন, দুর্ঘটনার কবলে শুভেন্দুর কনভয়, একটুর জন্য রক্ষা পেলেন শিশির পুত্র, আহত নিরাপত্তারক্ষী 


অপরদিকে তিনি বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে আরও বলেন, 'সারা বছর আম্ফানের সময়-করোনার সময় এদের দেখা মেলেনি। এখন ভোটের আগে এসে এরা দলিতের বাড়িতে কলাপাতায় ভাত খেয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।' এরপর তিনি বলেন, আজকে দেখুন, যারা রামমন্দিরকে সামনে রেখে রাজনীতি করেছিল, ভারতবর্ষের রাষ্ট্রপতি একজন দলিত, তাঁকেও রাম মন্দিরের শিলান্য়াস অনুষ্ঠানে আমন্ত্রন জানানো হয়নি। ২০০ জন পুরোহিতের মধ্যে একজনও দলিতকে রাখা হয়নি। মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষরা পবিত্র জল নিয়ে অধোয্যায় উপস্থিত হয়েছিল, সেই জলও তাঁরা গ্রহন করেনি। এরপরেই তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়ায়ের ডাক দেন।' যদিও এত পরিসংখ্যানের পরও  সময় শেষ কথা বলবে। এবং তপশিলি জাতি-উপজাতি ভোট বাক্সের কাছে কতটা মনে করবে ঘাসফুল শিবিরকে, তা নিয়ে চাপান উতোর রাজনৈতিক মহলে।